অরুচি কাটাবে রকমারি চাটনি। ছবি: ফ্রিপিক।
বাঙালির শেষপাতে একটু চাটনি না হলে চলে না। মুখরোচক পদ বলুন, শেষ পাতের মুখশুদ্ধি বলুন, চাটনিকে যে ভাবেই ভাবা হোক না কেন, তা যেমন পুষ্টিকর, হজমে সহায়ক, তেমনই স্বাদেও খাসা। দীর্ঘ সময়ে রোগে ভুগে যদি মুখে অরুচি হয় অথবা বদহজমের সমস্যা বেড়ে যায়, তা হলে পাতে কিছুটা চাটনি রাখতেই পারেন। বিস্বাদ কাটাতে ও খাবারে রুচি ফেরাতে চাটনির জুড়ি মেলা ভার। রইল টক-ঝাল-মিষ্টি স্বাদের রকমারি চাটনির রেসিপি।
ধনেপাতা ও তেঁতুলের চাটনি
ধনেপাতা, কাঁচালঙ্কা, রসুন আর সামান্য তেঁতুলের ক্বাথ দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। এতে সামান্য বিটনুন ও চিনি দিন। একটু মেথি-মরিচগুঁড়ো চাটনির উপরে ছড়িয়ে দিলে তেঁতুলের চাটনি খেতে আরও মুখরোচক লাগবে।
আমড়া-সর্ষের চাটনি
আমড়াকে লম্বালম্বি চার টুকরো করে কেটে নিয়ে, অল্প গরম জলে আধসেদ্ধ করে, হামানদিস্তায় খুব হালকা ভাবে থেঁতো করে নিয়ে রান্না করতে হবে। কড়ায় সর্ষের তেল গরম করে অল্প সর্ষে ফোড়ন দিন। থেঁতো করা আমড়া দিয়ে হালকা ভেজে নিন। এর পর তাতে সর্ষেবাটা, নুন, চিনি দিয়ে ভাল করে ফুটিয়ে নিন। আমড়া সেদ্ধ হয়ে চাটনি ঘন হয়ে এলে নামিয়ে নিন।
পুদিনা ও লেবুর চাটনি
তাজা পুদিনাপাতা ও সঙ্গে কিছুটা ধনেপাতা নিন। পুদিনা ও ধনেপাতা ভাল করে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিন। এ বার মিক্সিতে পুদিনাপাতা, ধনেপাতা, এক ইঞ্চির মতো আদা, লেবুর রস, নুন ও সামান্য চিনি দিয়ে ভাল করে বেটে নিন। এতে সামান্য বিটনুন দিলে খেতে ভাল লাগবে।
তেঁতুল-খেজুরের চাটনি
টক-ঝাল-মিষ্টি এই চাটনি অরুচি কাটাবে এবং পেটও ঠান্ডা রাখবে। তেঁতুল ও খেজুরের ভিতর থেকে বীজ বার করে নিন। এ বার তেঁতুল, খেজুর ও সামান্য গুড় একসঙ্গে নিয়ে ১০-১৫ মিনিট জলে ফুটিয়ে নিন। মিশ্রণটি ঠান্ডা করে ব্লেন্ডারে মিহি পেস্ট তৈরি করুন। তার পর ছেঁকে নিন। এ বার সেটি ঘন করে জ্বাল দিন। উপরে ভাজামশলা ছড়িয়ে নামিয়ে নিন।
রসুনের ঝাল চাটনি
শুকনো লঙ্কা ভিজিয়ে রেখে তার সঙ্গে একটু বেশি করে রসুন, আদা এবং সামান্য নুন দিয়ে বেটে নিন। কড়াইয়ে তেল দিয়ে এই বাটা মশলাটি কষিয়ে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে। যাঁরা ঝাল খেতে ভালোবাসেন, তাঁদের জন্য এই চাটনি খুবই উপাদেয়।