Sleep Apnea Prevention Tips

স্লিপ অ্যাপনিয়া ধরা পড়েছে? যাপনে ৫টি বদল আনলে আর সিপ্যাপ মেশিনের প্রয়োজন পড়বে না

নাক ডাকার সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। কিন্তু বহু মানুষই বিষয়টিকে তেমন গুরুত্ব দেন না। তবে অত্যধিক নাক ডাকার সমস্যা শুরু হলে কিন্তু সতর্ক হতে হবে। এটি স্লিপ অ্যাপনিয়ার লক্ষণ হতে পারে। এক বার এই রোগ ধরা পড়লে কিন্তু মৃত্যুর ঝুঁকিও বেড়ে যায়।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৫ মে ২০২৬ ১৪:১১
Share:

স্লিপ অ্যাপনিয়ার সমস্যা কমাতে কী কী বদল আনবেন জীবনে? ছবি: সংগৃহীত।

রাতে সময় মতো ঘুমোতে যাচ্ছেন। কিন্তু চোখে নেই ঘুম। এলেও ঘুমের মধ্যে অস্বস্তি হচ্ছে। রাতে ঘুম নেই, আর দিনের বেলায় রয়ে যাচ্ছে ঘুম ঘুম ভাব, ক্লান্তি। এরই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে নাক ডাকার সমস্যা। নাক ডাকার সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। কিন্তু বহু মানুষই বিষয়টিকে তেমন গুরুত্ব দেন না। তবে অত্যধিক নাক ডাকার সমস্যা শুরু হলে কিন্তু সতর্ক হতে হবে। এটি স্লিপ অ্যাপনিয়ার লক্ষণ হতে পারে। এক বার এই রোগ ধরা পড়লে কিন্তু মৃত্যুর ঝুঁকিও বেড়ে যায়।

Advertisement

কেন হয় এই সমস্যা?

ঘুমের মধ্যে শ্বাস নিতে না পারার সমস্যাই হল স্লিপ অ্যাপনিয়া। ওজন বেশি হলে ঘুমের সময়ে শ্বাসনালির উপর বেশি চাপ পড়ে ও শ্বাসপ্রক্রিয়া বাধা পায়। এতে মস্তিষ্ক ও শরীরের কোষগুলিতে অক্সিজেন সরবরাহ হঠাৎই অনেকটা কমে যায়। ফলে স্লিপ অ্যাপনিয়ার প্রভাবে আকস্মিক শ্বাসপ্রক্রিয়া ব্যাহত হয়ে মৃত্যু হতে পারে। মদ্যপান ও ধূমপানের মতো অভ্যাসের কারণেও এই অসুখের আশঙ্কা বাড়ে। আবার অনেকেই ঘুম ভাল হচ্ছে না ভেবে ঘুমের ওষুধ খান। তাতে হিতে বিপরীত হয়। এ ছাড়া উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবিটিসের মতো রোগ থাকলেও এই রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

Advertisement

এই রোগ ধরা পড়লে সিপ্যাপ যন্ত্রের সাহায্য রোগীর শোয়ার সময় শ্বাসপ্রশ্বাস নেওয়ার প্রক্রিয়াকে সচল রাখা হয়। এই যন্ত্রটি কেনার বিষয়টি বেশ খরচসাপেক্ষ। তবে জীবনধারায় বদল এনেও এই রোগের হাত থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব।

১) এ ক্ষেত্রে সবার আগে ওজন কমাতে হবে। শরীরের ওজন ৫-১০ শতাংশ কমাতে পারলে অবস্ট্র্যাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া কিছুটা হলেও কমতে পারে। নাক ডাকার তীব্রতা কমে যায়, রোগীর স্বাস্থ্যেও উন্নতি দেখা যায়।

২) এক দিকে পাশ ফিরে ঘুমোনো। চিৎ হয়ে ঘুমোলে অবস্ট্রাকশন বেশি হয়। বাঁ দিক হোক বা ডান দিক, যে দিকে খুশি সেই দিকেই পাশ ফিরে শুতে পারেন। কোনও ক্ষেত্রেই বাড়তি কোনও সুবিধা নেই।

৩) মুখ আর জিভের কিছু ব্যায়াম করলেও এই রোগের ক্ষেত্রে বেশ খানিকটা উপকার পাওয়া যায়। যেমন, জিভ তালুতে অন্তত ৫ সেকেন্ডের জন্য ঠেকিয়ে রাখা, ইংরেজি স্বরবর্ণগুলি (এ, ই, আই, ও, ইউ) এগুলি খুব দ্রুত উচ্চারণ করা, বেলুন ফোলানোর মতো ব্যায়াম অবস্ট্র্যাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়ার ক্ষেত্রে দারুণ কাজের।

৪) রাতে মদ্যপান করা বন্ধ করতে হবে।

৫) রাতে ঘুমের সময় স্থির করতে হবে। কোনও দিন ১১ টা কোনও দিন ১ টা— এ ভাবে ঘুমোলে চলবে না। রোজ নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমোতে যান, নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম থেকে উঠুন।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement