ছবি : সংগৃহীত।
পেটের পেশি বা কোর মাসলের ক্ষমতা বৃদ্ধি করার জন্য সাহায্য করে যে সমস্ত ব্যায়াম, তার মধ্যে অন্যতম প্ল্যাঙ্ক। বিশেষ করে যাঁদের ভুঁড়ি বাড়ছে, তাঁরা নিয়মিত প্ল্যাঙ্ক করলে পেটের পেশি সুগঠিত হয় বলেই মনে করা হয়। তবে এই ব্যায়াম কতক্ষণ করবেন, তা নির্ভর করে শারীরিক ক্ষমতার ওপর।
কে কতক্ষণ করবেন?
যাঁরা নতুন শুরু করছেন: শুরুতে ১০ থেকে ৩০ সেকেন্ড ধরে রাখার চেষ্টা করুন। এ ভাবে ৩ বার করুন।
যাঁরা আগে করেছেন, তাঁদের জন্য: ৩০ সেকেন্ড থেকে ১ মিনিট পর্যন্ত ধরে রাখার চেষ্টা করুন। প্রতি বার।
অভ্যস্তদের জন্য: ১ থেকে ২ মিনিট পর্যন্ত করতে পারেন। তবে ২ মিনিটের বেশি প্ল্যাঙ্ক করার প্রয়োজনীয়তা সাধারণত থাকে না।
আর যা মনে রাখবেন: প্ল্যাঙ্ক করার ক্ষেত্রে সময়সীমার চেয়ে সঠিক ভঙ্গি বজায় রাখা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘক্ষণ ভুল ভঙ্গিতে করার চেয়ে অল্প সময় একদম সঠিক ভঙ্গিতে করা অনেক বেশি কার্যকর।
নিয়মিত প্ল্যাঙ্ক করার উপকারিতা
১. কোর মাসলের শক্তি বৃদ্ধি: প্ল্যাঙ্ক কেবল পেটের উপরের অংশ নয়, বরং পেটের ভিতরে থাকা পেশিগুলোকেও শক্তিশালী করে। এটি মেদ কমাতে এবং পেট রাখতে সাহায্য করে।
২. পিঠের ব্যথা কমায়: মেরুদণ্ডের চারপাশের পেশিগুলোকে শক্তিশালী করে। ফলে মেরুদণ্ডের ওপর চাপ কমে এবং দীর্ঘ দিনের পিঠ বা কোমরের ব্যথা উপশমে সাহায্য করে।
৩. শারীরিক ভঙ্গি উন্নত করে: নিয়মিত প্ল্যাঙ্ক করলে পিঠ, ঘাড় এবং কাঁধের পেশি সুগঠিত হয়। এতে আপনি কুঁজো হয়ে না থেকে সোজা হয়ে দাঁড়ানোর বা বসার অভ্যাস করতে পারেন।
৪. মেটাবলিজম বৃদ্ধি: অন্যান্য সাধারণ পেটের ব্যায়ামের তুলনায় প্ল্যাঙ্ক করলে বেশি ক্যালরি বার্ন হয়। শরীরের মেটাবলিজম রেট বাড়িয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
৫. শরীরের ভারসাম্য রক্ষা: প্ল্যাঙ্ক পেশিগুলোর মধ্যে সমন্বয় তৈরি করে, যা শারীরিক ভারসাম্য উন্নত করে।