Tips to Handle Criticism

সমালোচনা, কটাক্ষে ভেঙে পড়েছেন? ঘুরে দাঁড়ানোর উপায় শিখে নিন সচিন তেন্ডুলকরের কাছে

ব্যর্থতার ভার বড় ভারী মনে হচ্ছে? ঘুরে দাঁড়ানোর কৌশল শেখালেন ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেট অধিনায়ক সচিন তেন্ডুলকর।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ ১৬:০০
Share:

সচিন তেন্ডুলকরই হতে পারেন জীবনের শিক্ষাগুরু। ব্যর্থতা থেকে ঘুরে দাঁড়াতে কোন মন্ত্রে বিশ্বাসী তিনি। ছবি: সংগৃহীত।

তুলে তুলে ছক্কা মেরে প্রতিপক্ষকে যে দিন তিনি চুরমার করে দিয়েছেন, সে দিন তিনি নায়ক। দেশের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে যখন তাঁকে শূন্য রানে বিদায় নিতে হয়েছে, তিনি হয়ে গিয়েছে খলনায়ক। ব্যর্থতা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ, আঙুল তোলা তাঁকে বিদ্ধ করেছে, কিন্তু হারেননি তিনি। ‘মাস্টার ব্লাস্টার’ সচিন তেন্ডুলকর দেখিয়েছেন কী ভাবে ঘুরে দাঁড়াতে হয়।

Advertisement

জীবনে অনেক উত্থান-পতন দেখেছেন ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেট অধিনায়ক। সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছেন বার বার। তা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১০০টি সেঞ্চুরির অধিকারী তিনি। টেস্ট ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রানের পাশে জ্বলজ্বল করে তাঁরই নাম। সব মিলিয়ে ১৮ হাজার ৪২৬ রান রয়েছে তাঁর ওয়ান ডে ক্রিকেটে, সে রেকর্ডও এখনও পর্যন্ত ভাঙতে পারনেনি কেউ। সেই সাফল্য পেতে গিয়ে কী ভাবে লোকের কটাক্ষের জবাব দিয়েছিলেন, শিখে নিতে পারেন ভারতীয় ক্রিকেট-তারকার কাছেই।

‘প্লেয়িং ইট মাই ওয়ে’ শীর্ষক আত্মজীবনীতে সচিন বলেছেন, ‘‘তোমার দিকে যদি কেউ পাথর ছোড়ে, তুমি তাকে মাইলফলকে পরিণত করতে পার।’’

Advertisement

সচিন যখন খেলেছিলেন, তখন সমাজমাধ্যমের এমন রমরমা ছিল না। তা সত্ত্বেও কটাক্ষে জর্জিরত হয়েছেন তিনি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যখন তিনি উজ্জ্বল নক্ষত্র, তখনও সমালোচনা ধেয়ে এসেছে। এসেছে ব্যর্থতাও। এখন সমাজমাধ্যমে যে কোনও বিষয় নিয়ে মানুষ খুব সহজেই বিষোদ্গার করেন। সেই সব মন্তব্য যে কোনও পেশার মানুষকেই কার্যত ভেঙে চুরমার করে দেয়। অনেকেই ব্যর্থতা আঘাত সহ্য করতে না পেরে, নিজে সরে যান। তবে সচিনের ছোট্ট একটি কথাই প্রমাণ করে, নিজের উপর বিশ্বাস, কিছু করে দেখানোর খিদে থাকলে কাউকে লক্ষ্যচ্যুত করা যায় না।

কী শেখা যায় সচিনের থেকে?

সমালোচনার জবাব সচিন সমালোচনায় বা কটাক্ষে দিতে বলেননি। নিন্দকদের মুখ বন্ধ করতে বলছেন তিনি আরও পরিশ্রম দিয়ে। লক্ষ্য ছোঁয়াই হল সমালোচকদের মুখ বন্ধ করার উপযুক্ত উপায়। যেখানে হিংসা নেই, মারামারি, প্রতিযোগিতার চাপ নেই— আছে শুধু আরও ভাল করার অদম্য জেদ।

সচিনের বার্তাই বলছে, যখন মনে হচ্ছে সব কিছু শেষ, তখনও ঘুরে দাঁড়ানো যায়। ছোঁয়া যায় মাইলফলক। তাঁর মূল মন্ত্রই হল, পরিস্থিতি যত কঠিন হোক না কেন, হাল না ছেড়ে লড়তে হবে। জীবনে ব্যর্থতা আসবেই। তবে তাতে ভেঙে না পড়ে দ্বিগুণ প্রাণশক্তিশ নিয়ে ফিরতে হবে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement