কোন উপায়ে দৈনন্দিন ডায়েটে জুড়তে পারেন খেজুর? ছবি: সংগৃহীত।
দিনভর শক্তি জোগানো হোক বা কোষ্ঠ পরিষ্কার, খেজুরের গুণে সবই সম্ভব। অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে ভরপুর খেজুর হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখে, চিনির বিকল্পও হয়ে উঠতে পারে। কিন্তু কারও তা না-পসন্দ হতেই পারে। আবার ছোটদের ফল খাওয়ানো রীতিমতো কষ্টসাধ্য। কোন উপায়ে দৈনন্দিন ডায়েটে জুড়তে পারেন খেজুর?
খেজুর লজেন্স: খুদেরা লজেন্স পছন্দ করে। ভালমানের খেজুর লম্বালম্বি ভাবে চিরে বীজ বার করে সেখানে চকোলেটের আস্তরণ দেওয়া বাদাম ভরে দিন। দিতে পারেন চিজ় এবং পেস্তাও। দেখতেও অন্য রকম হবে। এমন জিনিস প্লাস্টিকের মোড়কে বা সুন্দর করে সাজিয়ে রাখলে এমনিতেই খেতে ইচ্ছা হবে।
স্মুদি: অনেকেই দিন শুরু করেন রকমারি স্মুদি দিয়ে। স্মুদিতে মিষ্টি স্বাদ আনতে কৃত্রিম চিনি নয়, মিশিয়ে নিন কয়েকটি খেজুর। এর প্রাকৃতিক মিষ্টত্ব স্বাদে ভারসাম্য আনবে। তা ছাড়া, ক্যালোরির পরিমাণও এতে যথেষ্ট। খনিজে ভরপুর।
খেজুর বল: খেজুরের বীজ ছাড়িয়ে মিক্সারে ঘুরিয়ে নিন। আখরোট, পেস্তা, কাঠবাদাম, কুমড়ো, তিসির বীজ শুকনো খোলায় হালকা নাড়াচাড়া করে নিন। একটু ঘি এবং স্বাদমতা নুন ছড়িয়ে মিনিট ২ নাড়াচাড়া করে নিন। হামানদিস্তায় থেঁতলে ছোট টুকরো করে ফেলুন। তার পর খেজুরের মণ্ডের সঙ্গে ভাল করে মিশিয়ে নিন রোস্টেড বাদাম এবং বীজ। ছোট ছোট বলের আকার দিন। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে, দ্রুত শরীরে শক্তি জোগাতে সাহায্য করবে এই বল। দেখতে সুন্দর এবং আকারে ছোট হলে শিশুরাও তা খেতে চাইবে।