Good Cholesterol

কিছু কোলেস্টেরল ভালও হয়, কোন ভুলে তার মাত্রা কমতে পারে, কী ভাবে সতর্ক হবেন

ভাল কোলেস্টেরল অর্থাৎ এইচডিএল-এর মাত্রা কমে গেলেই বিপদ। কাদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি, তা নিয়ন্ত্রণে রাখবেন কী ভাবে?

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৭:০৮
Share:

কেন কমতে পারে এইচডিএলের মাত্রা? ছবি: সংগৃহীত।

কোলেস্টেরল নিয়ে চিন্তায় থাকেন সকলেই। তার মাত্রা বেড়ে যাওয়া মানেই হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি। কারণ, কোলেস্টেরল ধমনীতে জমতে জমতে রক্ত চলাচলের পথে বাধা তৈরি করে। ফলে, বাড়ে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি।

Advertisement

কিন্তু কোলেস্টেরল মাত্রই খারাপ নয়, রয়েছে ভাল দিকও। সেই ভাল কোলেস্টেরল অর্থাৎ এইচডিএল-এর মাত্রা কমে গেলেই বিপদ। লো ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন বা এলডিএল যেমন হার্টের অসুখের ঝুঁকি কমায়, তেমনই হার্ট ভাল রাখে হাই ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন বা এইচডিএল।

সাধারণত, পুরুষদের ক্ষেত্রে রক্তে ভাল কোলেস্টেরল (এইচডিএল)-এর স্বাভাবিক মাত্রা হওয়া উচিত প্রতি ডেসিলিটারে ৬০ মিলিগ্রাম এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে ৬০ মিলিগ্রাম। পুরুষদের ক্ষেত্রে তা ৪০ মিলিগ্রাম এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে ৫০ মিলিগ্রামের নীচে নেমে গেলেই ক্ষতি। আবার অতিরিক্ত পরিমাণ হলেও তা ভাল নয়। প্রতি ডেসিলিটারের ১০০ মিলিগ্রাম হয়ে গেলে তা আর স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল থাকে না।

Advertisement

এইচডিএল কোলেস্টেরল খারাপ কোলেস্টেরলকে ধমনী থেকে সরিয়ে রক্ত প্রবাহ স্বাভাবিক রাখে, হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে। ধমনীর প্রদাহ কমাতেও তা সহায়ক।

কোন কারণে শরীরে এইচডিএল –এর মাত্রা কমতে পারে?

· স্থূলত্ব, ডায়াবিটিস, উচ্চ রক্তচাপের মতো অসুখ বা সমস্যা থাকলে, রক্তে ভাল কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে পারে।

· ধূমপানের প্রবণতাও ভাল কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়।

· ভুল খাদ্যাভ্যাসও বিপদ ডেকে আনে। অতিরিক্ত ভাজাভুজি, ট্রান্স ফ্যাট, উচ্চ ফ্যাট যুক্ত খাবার, প্রক্রিয়াজাত খাবার এইচডিএলের মাত্রা কমাতে পারে।

· শরীরচর্চার অভাবেও এমন সমস্যা বাড়ে। বিশেষত বয়স বাড়লে অনেকে হাঁটাচলা কমিয়ে দেন, আবার ওজনও বৃদ্ধি পায়। তার ফলে ভাল কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যেতে পারে।

· অনেক সময় বিশেষ কিছু ওষুধের জন্যও এইচডিএল কমে যায়।

সমাধান

· বয়স যতই হোক না কেন, শরীরচর্চা খুব জরুরি। নিয়ম করে ফ্রি হ্যান্ড করতে না পারলে হাঁটাহাঁটি করুন সকাল-সন্ধ্যায়। ভাল হয় হালকা ব্যায়াম করলেও।

· ভাল কোলেস্টেরল কমে যাওয়ার নেপথ্য কাজ করে ডায়াবিটিস। এই অসুখ বশে রাখা জরুরি।

· নজর দেওয়া দরকার খাওয়ায়। প্রোটিন, ভাল মানের ফাইবার, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ডায়েটে থাকা জরুরি। ওজন বশে রাখতেই হবে। সামুদ্রিক এবং তৈলাক্ত মাছ, বাদাম, তিসির বীজ, ফল ডায়েটে রাখুন।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement