মাছের আঁশের মতো শুকনো খসখসে সাদা ত্বক— কখনও সারা শরীরে, কখনও বা আবার নির্দিষ্ট অংশে। ত্বকের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য বলে অনেকে তা অবহেলা করেন, কেউ আবার মানসিক সমস্যায় ভোগেন। ত্বকরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. সন্দীপন ধর বলছেন, “এটি ত্বকের সমস্যা, চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় ইকথিয়োসিস ভালগারিস।”
সমস্যাটা কী?
ইকথিয়োসিস ভালগারিস মূলত বংশগত। এ ক্ষেত্রে ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা ধরে রাখার ক্ষমতা কমে যায়। ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে ওঠে। এর উপরিভাগে খোসার মতো তৈরি হয়, যা দেখতে অনেকটা মাছের আঁশের মতো। জন্মের পরেই শিশুর মধ্যে তা লক্ষ করা যায় না। বাচ্চা একটু বড় হলে সমস্যা প্রকাশ পায়। বয়স বাড়লে রোগ তার ধরনও বদলাতে পারে।
কেন হয় এই সমস্যা?
ফিলাগ্রিন নাম এক ধরনের প্রোটিন আমাদের শরীরে থাকে। ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে তা প্রয়োজন হয়। শরীরে এই প্রোটিনের অভাব হলে ত্বক সহজে জল হারায় এবং শুষ্ক হয়ে পড়ে। ফিলাগ্রিনের অতিরিক্ত অভাবে ইকথিয়োসিস ভালগারিস দেখা দেয়। অনেক ক্ষেত্রে এর সঙ্গে অ্যাটোপিক ডার্মাটাইটিস বা একজ়িমাও হয়। শীতকালে এই সমস্যা বাড়ে। সাধারণত বাচ্চার ১-৫ বছর বয়সের মধ্যেই এই লক্ষণগুলি প্রকট হয়। তবে প্রাপ্তবয়স্কদেরও এটি হতে পারে। প্রাথমিক ভাবে ড্রাই স্কিনের সমস্যা হলেও ক্রমশ চামড়া ফেটে গিয়ে ব্যথা, রক্তপাত ইত্যাদি হতে পারে। তা ছাড়া, অতিরিক্ত চুলকানি থেকে সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে।
চিকিৎসা
এটি পুরোপুরি নিরাময়যোগ্য নয়। তবে ছোঁয়াচে রোগও নয়। নিয়মিত ত্বক পরিচর্যা করলে এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব—
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে