Kim Kardashian Supplements Fatigue

দিনে ৩৫টি বড়ি! কিম কার্দাশিয়ানের অভ্যাসে চমকে উঠেছে নেটপাড়া, এতে শরীরে কী ঘটে জানেন?

সুস্থ থাকার জন্য এখন অনেকেই ভিটামিন, খনিজ বা নানা ধরনের সাপ্লিমেন্টের উপর ভরসা করছেন। কিন্তু এত সাপ্লিমেন্ট নেওয়া আদৌ স্বাস্থ্যকর, না কি এর ফলে স্বাস্থ্যের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে?

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৯ মে ২০২৬ ১৫:৩৮
Share:

কিম কার্দাশিয়ান কেন এত সাপ্লিমেন্ট খান? ছবি: সংগৃহীত।

সারা দিনে প্রায় ৩৫টি বড়ি খেতে হয় কিম কার্দাশিয়ানকে। ওষুধের ক্লান্তিতে ভুগছেন তিনি। পুষ্টির ঘাটতি মেটাতে অনেকেই নানাবিধ সাপ্লিমেন্টের উপর ভরসা রাখেন। তা সে আয়রন হোক, ভিটামিন হোক অথবা প্রোটিন। তা বলে দিনে ৩৫টি! কিমের স্বীকারোক্তি শুনে চমকে উঠেছে নেটপাড়া। কেন এতগুলি ওষুধ খেতে হয় তাঁকে?

Advertisement

ধনকুবের, নেটপ্রভাবী কিম সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, রোজ প্রায় ৩৫টি সাপ্লিমেন্ট খান তিনি। সারা দিনে তিন বার হিসেব করে খেতে হয় তাঁকে। তাঁর কথায়, ‘‘সত্যি বলতে আমি সাপ্লিমেন্ট খেতে খেতে পিল ফ্যাটিগে (দীর্ঘ সময় ধরে জটিল ওষুধ বা সাপ্লিমেন্ট খাওয়ার নিয়ম মেনে চলার ফলে যে মানসিক এবং শারীরিক অবসাদ তৈরি হয়) ভুগছি। ফিশ অয়েলের সাপ্লিমেন্ট আর নিতে পারছি না। কিন্তু রক্তপরীক্ষা করানোর পর ফিশ অয়েল সাপ্লিমেন্ট নিতেই হত আমায়। এর থেকে যদি আইভি ড্রিপ নিতে পারতাম, তা হলে ভাল হত।’’

সাপ্লিমেন্ট খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন। ছবি: সংগৃহীত

কিমের এই কথায় নেটপাড়ায় আলোড়ন পড়েছে। প্রশ্ন উঠছে, এত সাপ্লিমেন্ট নেওয়া আদৌ স্বাস্থ্যকর, না কি এর ফলে স্বাস্থ্যের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে?

Advertisement

সুস্থ থাকার জন্য এখন অনেকেই ভিটামিন, খনিজ বা নানা ধরনের সাপ্লিমেন্টের উপর ভরসা করছেন। মাছের তেলের ক্যাপসুল, কোলাজেন, ম্যাগনেশিয়াম বা নানা ধরনের ভিটামিনের চাহিদা মেটাচ্ছেন সাপ্লিমেন্ট খেয়ে খেয়ে। কিন্তু এই প্রবণতা আদৌ কতটা প্রয়োজনীয়, আর কখন তা অতিরিক্ত হয়ে যায়— তা বোঝা দরকার। মধুমেহ রোগের চিকিৎসক অভিজ্ঞান মাঝি বলছেন, ‘‘ঘাটতি না থাকলে সাপ্লিমেন্ট খাওয়া উচিত নয়। কারণ, আমাদের শরীর সব সময়ে একটি নির্দিষ্ট ভারসাম্য বজায় রেখে চলে। যখন আমরা বাইরে থেকে কৃত্রিম ভাবে অনবরত বিভিন্ন সাপ্লিমেন্ট নিতে থাকি, তখন শরীর মনে করে তার নিজের আর সেগুলি তৈরি করার প্রয়োজন নেই। ফলে শরীরের প্রাকৃতিক উৎপাদন প্রক্রিয়াটি অলস হতে হতে ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। যার ফলে শরীর তখন চিরতরে ওই সাপ্লিমেন্টের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে।’’

সুষম আহারে অভ্যস্ত যাঁরা, তাঁদের শরীরে নিজে থেকেই সমস্ত পুষ্টি উপাদান তৈরি হতে থাকে। সাপ্লিমেন্ট অবশ্যই উপকার করে, কিন্তু তা বলে অতিরিক্ত নেওয়া যায় না। নির্দিষ্ট প্রয়োজনে নির্দিষ্ট সাপ্লিমেন্ট নিতে হয়। কিন্তু সমস্যা হল, সাপ্লিমেন্টকে অনেকেই ওষুধ নয়, খাবার হিসেবে দেখেন। ফলে যখন-তখন, যত্র-তত্র সাপ্লিমেন্ট নিয়ে ফেলেন তাঁরা। কিন্তু রক্তপরীক্ষা করে ঘাটতি বুঝে চিকিৎসকদের কথা মেনে সাপ্লিমেন্ট নেওয়া উচিত।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement