Diabetes Control Tips

কয়েক সপ্তাহেই কমতে পারে ফাস্টিং সুগার! রাতে শোয়ার আগে চুমুক দিতে হবে শুধু এক পানীয়ে

খাওয়া-দাওয়ায় নিয়মকানুন মানতে হয়। সঙ্গে দরকার হয় হাঁটহাঁটি, শরীরচর্চাও। কিন্তু সব নিয়ম মেনেও যদি ফাস্টিং সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে না থাকে, সে ক্ষেত্রে চিন্তায় পড়তে হয়।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৩ মে ২০২৬ ১৮:৪৪
Share:

কী ভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখবেন ফাস্টিং সুগার? গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

ডায়াবিটিস হলে প্রথমেই মাথায় আসে খাবারের কথা। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে গোড়াতেই বাদ পড়ে চিনি। খাওয়াদাওয়ায় নিয়মকানুন মানতে হয়। সঙ্গে দরকার হয় হাঁটহাঁটি, শারীরচর্চাও। কিন্তু সব নিয়ম মেনেও রক্তে শর্করার মাত্রা যদি নিয়ন্ত্রণে না থাকে, সে ক্ষেত্রে চিন্তায় পড়তে হয়। এ ব্যাপারে কাজে আসতে পারে অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার।

Advertisement

রাতে ঘুমোনোর আগে দু চামচ অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার খেলেই উপকার পেতে পারেন ডায়াবেটিকরা। ঘুমোনোর সময়েও লিভার তার কাজ চালিয়ে যেতে থাকে, সেখানে জমে থাকা গ্লুকোজ়কে রক্তের মধ্যে মেশাতে থাকে। তবে ইনসুলিন রেজ়িস্ট্যান্স থাকলে লিভার বেশি মাত্রায় গ্লুকোজ় ছাড়তে শুরু করে। এই কারণেই ফাস্টিং সুগারের মাত্রা বেড়ে যায়। এই সমস্যা এড়াতে ঘুমোনোর মিনিট ২০ আগে এক গ্লাস জল দু’টেবিল চামচ অ্যাপেল সাইডার বা এসিভি মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। ঢক ঢক করে নয়, ধীরে ধীরে চুমুক দিয়ে খেতে হবে পানীয়টি। এর পর ঘুমোনোর আগে অবশ্যই মুখ কুলকুচি করে নিন, নইলে দাঁতের বারোটা বাজতে পারে। টানা ৮ থেকে ১২ সপ্তাহ এই রুটিন মেনে চলুন। এই সময় সপ্তাহে দু’থেকে তিন দিন ফাস্টিং সুগার পর্যবেক্ষণ করতে ভুলবেন না। এসিভি-তে থাকা অ্যাসেটিক অ্যাসিড ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়িয়ে ফাস্টিং সুগার কমাতে সাহায্য করে।

তবে জীবনধারায় নানা রকম অনিয়ম করে রাতের বেলা এসিভি খেয়ে নিলেই আপনার ফাস্টিং সুগার কমে যাবে এমনটাও ভাবার কোনও কারণ নেই।

Advertisement

দেশের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেল্‌থের গবেষণাতেও বলা হয়েছে ডায়াবিটিসের সমস্যায় এসিভি খুবই উপকারী। খাওয়ার পরে এক গ্লাস জলে এক চামচ অ্যাপল সাইডার ভিনিগার মিশিয়ে খেলে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে। আসলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে ইনসুলিন হরমোন। এই হরমোনের তারতম্য হলেই তখন শর্করার পরিমাণ বেড়ে যায়। অগ্ন্যাশয়ের অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিতে তিন রকম কোষ থাকে আলফা, বিটা ও ডেল্টা। এর মধ্যে বিটা কোষ থেকে ইনসুলিন ক্ষরিত হয়। ফ্যাট এবং কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার খেলে সেটি গ্লুকোজে রূপান্তরিত হয় লিভারের মাধ্যমে। সেই গ্লুকোজকে দেহকোষের মধ্যে প্রবেশ করাতে সাহায্য করে ইনসুলিন। আলফা কোষে থাকে গ্লুকাগন যা গ্লুকোজ়কে জারিত করে শক্তি তৈরি করে। তাই এই হরমোনটির তারতম্য হলে গোটা প্রক্রিয়াটি ব্যাহত হয়, তখন গ্লুকোজ় রক্তে জমতে থাকে। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে গিয়ে ডায়াবিটিস হয়। অ্যাপল সাইডার ভিনিগার এই প্রক্রিয়াটিকে স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। খাওয়ার পরে আপেল সিডার ভিনিগার খেলে রক্তে শর্করা জমতে পারে না।

প্রতিবেদনটি সচেতনার উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। ডায়াবেটিক রোগীরা অবশ্যই চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদের সঙ্গে পরামর্শ করে তার পরেই ডায়েটে বদল আনুন।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement