ছবি : সংগৃহীত।
বছরের অধিকাংশ সময়েই এক কাপ টক দই খান। গ্রীষ্মপ্রধান দেশে তা শরীর ঠান্ডা রাখতেও সাহায্য করে। কিন্তু শীতে যখন আবহাওয়া এমনিতেই ঠান্ডা, তখনও কি সেই অভ্যাস বজায় রাখবেন। এ প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন দিল্লির এক পুষ্টিবিদ ডিম্বল জাংড়া। তিনি বলছেন, ‘‘অনেকেই আমাকে জিজ্ঞাসা করেন শীতকালেও রোজ টক দই খাওয়া যাবে কি না। এর উত্তর হল— যাবে। শীতকালেও প্রতিদিন টক দই খাওয়া যেতে পারে। তা শরীরের জন্য উপকারীও। তবে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখাও জরুরি।’’
শীতকালে টক দই খেলে কী কী উপকার হতে পারে?
১। দইয়ে থাকা ‘প্রোবায়োটিকস’ বা ভালো ব্যাকটেরিয়া শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, যা শীতকালীন সর্দি-কাশি মোকাবিলায় সাহায্য করে।
২। শীতের সময় সাধারণত একটু ভারী খাবার বেশি খাওয়া হয়। দই হজম প্রক্রিয়াকে ভাল রাখে। তাই হজমের সমস্যা হয় না।
৩। শীতের শুষ্ক আবহাওয়ায় ত্বক ফেটে যাওয়া বা ঔজ্জ্বল্য হারানোর সমস্যা দেখা যায়। দই ভেতর থেকে আর্দ্রতা জুগিয়ে ত্বককে নরম এবং উজ্জ্বল রাখে।
৪। দইয়ে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন বি-১২ এবং ফসফরাস থাকে যা হাড় মজবুত রাখতে সাহায্য করে।
যে যে বিষয়ে সতর্ক হবেন
১। ফ্রিজ থেকে বের করেই সরাসরি দই খাবেন না। খাওয়ার অন্তত ১-২ ঘণ্টা আগে ফ্রিজ থেকে বের করে রেখে দিন যাতে তা দই স্বাভাবিক তাপমাত্রায় চলে আসে।
২। বিকেলের পর বা রাতে দই না খাওয়াই ভালো। দুপুরের খাবার খাওয়ার পরে দই খাওয়া সবচেয়ে নিরাপদ।
৩। যদি আগে থেকেই প্রচণ্ড সর্দি, কাশি বা সাইনাসের সমস্যা থাকে, তবে দই খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। কারণ দই শরীর ঠান্ডা করতে পারে এবং শ্লেষ্মা তৈরি করতে পারে।
৪। টক দইয়ে চিনি না মিশিয়ে সামান্য বিট নুন বা জিরে গুঁড়ো মিশিয়ে খেতে পারেন।