ছবি : সংগৃহীত।
দার্জিলিং চা খেয়েছেন। কিন্তু কাংড়া চা খেয়েছেন কি কখনও? চায়ের দুনিয়ায় এই নাম মোটেই নতুন সংযোজন নয়। হিমাচল প্রদেশের কাংড়া উপত্যকায় চায়ের চাষ হচ্ছে ব্রিটিশ জমনা থেকে। ১৮৫০ সালে কাংড়ায় চা চাষ করাতে শুরু করে। আর হিমালয়ের ধৌলাধার পর্বতশ্রেণির কোলে শুরু হয় চিনের ‘ক্যামেলিয়া সাইনেনসিস’ প্রজাতির চা চাষ। ২০০৫ সালে সেই চা জিওগ্রাফিকাল আইডেন্টিফিকেশন ট্যাগও পেয়েছে। কাংড়া চা স্বাদে এবং গুণে দার্জিলিং চায়ের মতোই উচ্চমানের।
বিশেষত্ব কী?
১. স্বাদ
কাংড়া চায়ের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর মৃদু ও মিষ্টি স্বাদ। পান করার পর মুখে একটি স্নিগ্ধ মিষ্টি ভাব লেগে থাকে। দার্জিলিং চায়ের মতো এটি খুব বেশি কষটে বা কড়া হয় না। যারা লিকার চায়ে হালকা ও রিফ্রেশিং স্বাদ পছন্দ করেন, তাদের জন্য আদর্শ।২. গন্ধ
কাংড়া চায়ে ভেষজ এবং পাইন গাছের মতো সতেজ সুগন্ধ পাওয়া যায়। অনেক সময় এতে শুকনো ফল বা বাদামেরও মৃদু গন্ধ পেতে পারেন।
৩. গুণ
৪. দার্জিলিং চায়ের সঙ্গে তফাত
দার্জিলিং চাকে বলা হয় চায়ের দুনিয়ার শ্যাম্পেন। বর্ণে এবং গন্ধে তার শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই। তবে দার্জিলিংয়ের চায়ে সুগন্ধের সঙ্গে সামান্য কড়া ভাব থাকে। কাংড়া উপত্যকার চায়ের গন্ধ দার্জিলিংয়ের মতো না হলেও এতে একটি প্রাকৃতিক মিঠে গন্ধ থাকে, যা অনেকেই পছন্দ করেন।