Bed Yoga

থাইরয়েডের কারণে ঘুম থেকে উঠে ক্লান্ত লাগে? বিছানায় শুয়েই অভ্যাস করতে পারেন ৫ রকম যোগাসন

হাতে সময় কম। যোগা ম্যাট পেতে অভ্যাস করার সময়টুকুও না থাকলে বিছানায় শুয়েই করে নিতে পারেন কিছু সহজ আসন। থাইরয়েড বা রক্তল্পতার সমস্যা থাকলে ক্লান্তি বেশি হয়। সে ক্ষেত্রে সহজ কিছু যোগাসনে সকাল থেকেই শরীর তরতাজা ও সতেজ লাগবে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৮ মে ২০২৬ ১৬:০৯
Share:

থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে থাকবে, কোন ৫ আসন রোজ অভ্যাস করতে পারেন? ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

ঘুম যেন ছাড়তেই চায় না। বিছানা ছেড়ে উঠতে মন চায় না। রাতে ঘুমিয়ে ওঠার পরেও ঘিরে ধরে ক্লান্তি। যদি মাসের পর পর মাস ক্লান্তির ঘোর থেকে বেরিয়ে আসতে না পারেন, তা হলে কিন্তু চিন্তার যথেষ্ট কারণ আছে। অনেক সময়ে দেখা যায় থাইরয়েড থাকলে ক্লান্তি বাড়ে। হাইপোথাইরয়েডিজ়ম থাকলে সারাদিনই ক্লান্তি, ঝিমুনি থাকবে। সকালে ঘুম থেকে ওঠার সময়ে ক্লান্তি আরও বাড়বে। রক্তাল্পতার সমস্যা থাকলে এমন হতে পারে। রক্তে আয়রনের মাত্রা কমে গেলেও ক্লান্তি, ঝিমুনি ভাব বেড়ে যায়। খিদে কমতে থাকে। অল্প পরিশ্রমেও পরিশ্রান্ত লাগে। এই সমস্যার সমাধান একমাত্র ব্যায়ামেই সম্ভব। সে জন্য যোগা ম্যাট পেতে আয়োজনের প্রয়োজন নেই। ঘুম থেকে উঠে বিছানায় বসেই করে নিতে পারেন কিছু আসন। এতে থাইরয়েড থাকবে নিয়ন্ত্রণে, দিনভর শরীর তরতাজা ও সতেজ থাকবে।

Advertisement

সুপ্ত মৎস্যেন্দ্রাসন

সুপ্ত মৎস্যেন্দ্রাসন।

প্রথমে শবাসনে শুয়ে পড়ুন, হাত দু’পাশে টানটান থাকবে। ডান হাঁটু ভেঙে, বাঁ হাত দিয়ে ডান হাঁটুকে ধরতে হবে। এ বার ওই ভাবেই ডান হাঁটু আপনার বাঁ দিকে নিয়ে যান। শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখুন। এই ভঙ্গিমায় ১ থেকে ১০ গুনে আগের অবস্থায় ফিরে যান। অন্য পায়েও করুন আসনটি।

Advertisement

আপনাসন

আপনাসন।

টানটান হয়ে শুয়ে পড়ুন। শ্বাস টেনে দুই হাঁটু বুকের কাছে নিয়ে আসুন। দুই পা জোড়াই থাকবে। এ বার হাঁটু টেনে বুকের কাছে চেপে ধরুন। দুই হাত দিয়ে দুই পায়ের হাঁটু এমন ভাবে ধরে রাখতে হবে যাতে পেটে চাপ পড়ে। এ বার ধীরে ধীরে শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে আগের অবস্থায় ফিরে যান। ৫-১০ বার করে রোজ এই আসন অভ্যাস করুন।

আনন্দ বালাসন

আনন্দ বালাসন।

টানটান হয়ে শুয়ে পড়ুন। এ বার দু’টি পা বুকের কাছাকাছি নিয়ে আসুন। পায়ের পাতা থাকবে ঘরের ছাদে দিকে। দু’হাত দিয়ে দু’পায়ের পাতা ধরে রাখুন। এই অবস্থাতেই দু’টি হাঁটু ধীরে ধীরে দু’দিকে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করুন। শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক থাকবে। এ বার দু’হাতে পায়ের পাতা ধরে রেখেই ধীরে ধীরে কোমরের অংশ থেকে এক বার বাঁ দিকে, এক বার ডান দিকে নিয়ে যেতে পারেন। অনেকটা ছোটদের দোল খাওয়ার মতো। এই আসন বার পাঁচেক অভ্যাস করতে হবে।

ব্রিজ় পোজ়

ব্রিজ় পোজ়।

ম্যাটের উপর টানটান হয়ে শুয়ে দুই হাঁটু ভাঁজ করতে হবে। এর পর পিঠ ও কোমরে ভর দিয়ে ধীরে ধীরে কোমর উপরে তুলতে হবে। শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক রেখে ওই ভঙ্গিতে ২০ সেকেন্ড থেকে আবার আগের অবস্থানে ফিরে আসতে হবে।

সুপ্ত বদ্ধ কোণাসন

সুপ্ত বদ্ধ কোণাসন।

সোজা হয়ে শুয়ে হাঁটু ভাঁজ করুন। এ বার দুই পায়ের পাতা একটির সঙ্গে অন্যটি জোড়া করতে হবে এবং হাঁটু দু’টি নামিয়ে দুই পাশে রাখুন। হাঁটু বিছানা স্পর্শ করে থাকবে। দুই হাত শরীরের দুই পাশে বা পেটের উপর রাখতে পারেন। চোখ বন্ধ করে গভীর শ্বাস নিন। ৫-১০ মিনিট এই অবস্থায় থাকতে হবে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement