কোন কোন পানীয় ওজন কমাবে? ছবি: ফ্রিপিক।
সকালে খালি পেটে লেবু-মধুর জল খেয়ে ওজন কমছে না। জিরে ভেজানো জল হালকা গরম করে খেয়েও লাভ হয়নি। তা হলে সকালে নয়, বরং খাওয়ার পরে এমন কিছু ডিটক্স পানীয় খেতে হবে যা বাড়তি ক্যালোরি পোড়াবে। সুগারও রাখবে নিয়ন্ত্রণে।
ডিটক্স পানীয় বলতে জোয়ানের জল বা গ্রিন টি-র কথাই মাথায় আসে। তা ছাড়াও আরও অনেক রকম পানীয় হয়, যা শরীর থেকে টক্সিন দূর করতে পারে। সেগুলি কী ভাবে বানাবেন, কখন খেতে হবে জেনে নিন।
দারচিনি ও চক্রফুলের ক্বাথ
দারচিনি ও স্টার অ্যানিস বা চক্রফুলের মিশ্রণ হজমশক্তি বাড়িয়ে দিতে পারে বহু গুণ। এই পানীয় গ্যাস-অম্বলের সমস্যাও কমাবে। ১টি ছোট দারচিনির স্টিক দু’কাপ জলে ফোটাতে হবে। তাতে মিশিয়ে দিন একটি চক্রফুল। ভাল করে ফোটাতে হবে। পানীয়ের রং বদলে গেলে নামিয়ে নিন। ঈষদুষ্ণ অবস্থায় দুপুরে খাওয়ার ২০-৩০ মিনিট পরে পান করুন। এই পানীয় রক্তে শর্করার মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে রাখে।
অপরাজিতা ফুলের চা
নীল অপরাজিতার চা 'অ্যান্টি-ডায়াবেটিক' পানীয় হিসাবে খুবই জনপ্রিয়। এর গাঢ় নীল রঙে থাকা 'অ্যান্থোসায়ানিন' মেদ কমাতে পারে। এই চা বানাতে, ৩-৪টি শুকনো বা টাটকা নীল অপরাজিতা ফুল এবং সামান্য লেবুর রস লাগবে। এক কাপ গরম জলে ফুলগুলি দিয়ে ঢেকে রাখুন। জলের রং নীল হয়ে গেলে ফুলগুলি তুলে নিন। এতে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে রাতে শোয়ার আগে বা দুপুরে খাওয়ার পরে পান করুন।
তুলসী-কাঁচা হলুদের ডিটক্স
৫-৬টি তুলসী পাতা, হাফ ইঞ্চি কাঁচা হলুদকুচি ও সামান্য গোলমরিচ নিয়ে নিন। দু’কাপ জলে হলুদ ও তুলসী পাতা দিয়ে ভাল ভাবে ফোটান। জল লালচে-হলুদ রঙের হয়ে গেলে নামিয়ে ছেঁকে নিন। এ বার গোলমরিচগুঁড়ো মিশিয়ে দিন। এই পানীয় ওজন কমাতে সাহায্য করবে।