Smoking Triggers

ধূমপানে আসক্ত? সারা দিনে ঠিক কোন কোন জিনিসগুলি নেশার দিকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে জানেন কি

যে পরিস্থিতিগুলি আপনার ধূমপানের ইচ্ছাকে বাড়িয়ে তোলে, সেগুলি শনাক্ত করা দরকার। তা হলে সেই পরিস্থিতিগুলি এড়িয়ে চলতে পারেন বা অন্য কোনও ভাবে নিজেকে ব্যস্ত রাখতে পারেন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১২ মার্চ ২০২৬ ২০:০৭
Share:

কখন কখন সিগারেট খেতে ইচ্ছা করে আপনার? ছবি: সংগৃহীত।

ধূমপানে আসক্তি রয়েছে বলেই সিগারেট খান। ঠিকই। তবে সারা দিনে বিশেষ কয়েকটি পরিস্থিতি আপনাকে নেশার দিকে টেনে যায়, তা জানেন? এমন বেশ কয়েকটি কারণ বা অবস্থা রয়েছে, যা ধূমপানের তাগিদ বাড়িয়ে দেয়। সেগুলিকে শনাক্ত করতে পারলে, সেই পরিস্থিতিগুলি এড়িয়ে চলতে পারেন বা অন্য কোনও ভাবে নিজেকে ব্যস্ত রাখতে পারেন। তা হলে সিগারেট ছাড়ার কঠিন কাজটি খানিক সহজ হতে পারে।

Advertisement

সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছা বাড়িয়ে দিতে পারে কোন কোন পরিস্থিতি?

১. পানীয়ের সঙ্গে - অনেক সময়ে চা, কফি বা মদ্যপান করার সঙ্গে সিগারেট খেতে ইচ্ছা করে। ধীরে ধীরে এই যুগলবন্দি আরও পোক্ত হতে থাকে। যত বারই পানীয়ে চুমুক দেবেন, তখনই ধূমপান করতে ইচ্ছা করবে। ফলে আসক্তি বাড়তেই থাকে।

Advertisement

২. খাওয়ার পর - পেট ভরে খাওয়ার পর অনেক ধূমপায়ীদের সিগারেটের প্রতি আসক্তি বাড়ে। মনে হয়, খাওয়ার পর ধূমপান করতেই হবে। সেটিই একটি অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায়। তার বদলে বরং অন্য কোনও কাজে নিজেকে নিযুক্ত করে ফেললে তা ওই বদভ্যাসকে বদলে দিতে পারে।

সারা দিনে সিগারেট খাওয়ার তাগিদ কখন বাড়ে? ছবি: সংগৃহীত

৩. সামাজিক পরিসরে - আপনি কখনও ধূমপান করতে চাইছেন না। অথচ আপনার সামনে বন্ধু বা পরিচিতেরা এক সঙ্গে সিগারেট খাচ্ছেন। তখন ধূমপান না করলে নিজেকে একলা মনে হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই অতিরিক্ত সিগারেট খেয়ে ফেলতে পারেন। নিজের প্রতি সংযম আনলে বা অন্যেরা কী ভাবছেন, সে দিকে মন না দিলে উপকার হতে পারে।

৪. গতির সঙ্গে- অনেক সময়ে গতিময়তার মধ্যে একঘেয়ে লাগতে পারে। আর তা কাটাতে অনেকে সিগারেটে টান দেন। ধরা যাক, অফিস যাওয়ার সময়ে অনেক ক্ষণ আপনাকে গাড়ি চালাতে হয় বা গা়ড়িতে কেবল বসে থাকতে হয়। সে সময়ে বেশি নড়াচড়ার উপায় নেই বলে সিগারেট খেয়ে সময় কাটান কেউ কেউ। এই সময়ে কিছু মশলাপাতি চিবোতে থাকলে উপকার পেতে পারেন।

৫. শৌচালয়ে - অনেকেই শৌচালয়ে গিয়ে সিগারেট খান। শৌচালয়ের কাজ সারতে সারতে মনে হয়, শরীর যেন নিকোটিন চাইছে। আর সেখান থেকেই অভ্যাস তৈরি হয়ে যায়। এই দু’টি কাজকে অনেকেই এক ছাতার তলায় এনে ফেলেন। ফলে আসক্তি আরও বাড়তে থাকে। সে ক্ষেত্রে শৌচালয়ে কাটানো সময়টি কমিয়ে আনলেও কাজ দেয়। আরও নানা ভাবে এই অভ্যাস কাটানো যায়।

৬. বিরতিতে - একটানা অফিসে বা বাড়িতে কাজ করতে গিয়ে মনে হতে পারে, বিরতির প্রয়োজন। কিন্তু সেই বিরতির সময়ে বা ধূমপান করতে ইচ্ছা করে অনেকের। একই ভাবে অবসর সময়েও সিগারেটের সংখ্যা বেড়ে যায়।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement