Remedies for Insomnia

রাতে বার বার ঘুম ভেঙে যায়! অনিদ্রা থেকে রেহাই পেতে কী করবেন, কী করবেন না?

অনিদ্রা অনেকের জীবনেই স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে উঠেছে। শরীর যখন বিশ্রামের জন্য আকুল হয়ে ওঠে, তখন আমরা মোবাইল স্ক্রল করি, টিভি দেখি এবং মেসেজের উত্তর দিই। অনেকেই গর্ব করে বলেন যে, রাতে টানা পাঁচ ঘণ্টা না ঘুমিয়েও তাঁরা একেবারে ফিট। তবে এই অভ্যাস যে শরীরের কতটা ক্ষতি করছে, সেই বিষয় তাঁদের কোনও ধারণাই নেই।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৮ মে ২০২৬ ১৯:৪৯
Share:

ঘুম আসবে কী করে? ছবি: সংগৃহীত।

রাত জেগে মোবাইল ফোন ঘাঁটাঘাঁটি! কখনও সমাজমাধ্যমে কোন বন্ধু কী করছেন, সেই দিকে উঁকিঝুঁকি কখনও আবার ওয়েব সিরিজ়ে বুঁদ হয়ে থাকা। যাঁরা রাত জাগার অভ্যাসে অভ্যস্ত তাঁরা নিজেদের অজান্তেই শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিরাময় ব্যবস্থা ঘুমের সঙ্গে আপস করছেন।

Advertisement

এখন অনিদ্রা অনেকের জীবনেই স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে উঠেছে। শরীর যখন বিশ্রামের জন্য আকুল হয়ে ওঠে, তখন আমরা মোবাইলে স্ক্রল করি, টিভি দেখি এবং মেসেজের উত্তর দিই। অনেকেই গর্ব করে বলেন যে, রাতে টানা পাঁচ ঘণ্টা না ঘুমিয়েও তাঁরা একেবারে ফিট। তবে এই অভ্যাস যে শরীরের কতটা ক্ষতি করছে, সেই বিষয়ে তাঁদের কোনও ধারণাই নেই। এই অভ্যাসের কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমছে, হরমোনের ভারসাম্য বিঘ্নিত হচ্ছে, মানসিক শান্তিও নষ্ট হচ্ছে। ঘুম কোনও বিলাসিতা নয়। টানা ৬-৭ ঘণ্টা গভীর ঘুমোলে শরীর নিজেকে মেরামত করার সুযোগ পায়, বিষমুক্ত হয়, হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী হয়ে ওঠে এবং মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়। সুতরাং স্বাস্থ্য সংক্রান্ত হাজার সমস্যা ঘিরে ধরতে পারে পর্যাপ্ত বিশ্রাম না পেলে। ওষুধের উপর ভরসা করলে, তা দীর্ঘমেয়াদি হয় না। এমতাবস্থায় কী ভাবে রাতে ঘুম আনা যায় সময়মতো? তার জন্য কিছু পুরনো অভ্যাস ত্যাগ করে কিছু নতুন অভ্যাসকে জায়গা দিতে হবে।

১) চা, কফি বা চকোলেটে থাকা ক্যাফিন ঘুমের জন্য প্রয়োজনীয় হরমোন মেলাটোনিন তৈরিতে বাধা দেয়। অফিস থেকে বাড়ি ফিরে যতই ক্লান্ত লাগুক না কেন, চা-কফি খাওয়া যাবে না। সন্ধ্যার পর এ ধরনের খাবার বা পানীয় বাদ দিলে শরীর সহজে ঘুমের ছন্দে ফিরে আসে।

Advertisement

২) ওয়াইফাই রাউটারের মতো যন্ত্রপাতি থেকে দূরে থাকা ভাল ঘুমের সময়ে। এগুলির ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ফিল্ডের কারণে নিদ্রায় ব্যাঘাত ঘটতে পারে। এর ফলে শরীরের সার্কাডিয়ান ছন্দে পতন ঘটতে পারে।

৩) ঘুমের আগে মন শান্ত করার জন্য একটি রুটিন তৈরি করুন। হালকা স্ট্রেচিং, গরম জলে স্নান, বই পড়া বা পছন্দের হালকা ছন্দের কোনও গান শোনা স্নায়ুতন্ত্রকে শান্ত করতে সাহায্য করে। এর ফলে ঘুম ভাল আসবে।

৪) ঘুম ও জাগার সময় নির্দিষ্ট রাখলে দেহ-ঘড়ি নিজের ছন্দে চলতে পারে। এতে মস্তিষ্ক বুঝে নেয়, কখন বিশ্রাম নেওয়ার সময়। ফলে সহজেই ঘুম আসে। চেনা পরিসরে, চেনা রুটিনে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement