কোন স্যুপ খেলে ওজন কমবে? ছবি: ফ্রিপিক।
কিটো ডায়েট বা ইন্টারমিটেন্ট ডায়েট করে রোগা হওয়ার চেষ্টা করছেন অনেকে। কিটো মানে হল কার্বোহাইড্রেট একেবারে নামমাত্র খেয়ে বা না খেয়ে ডায়েট করা। আর ইন্টারমিটেন্টে ৮, ১২ বা ১৪ ঘণ্টার উপোস দিতে হয়। এখন আবার মোনো ডায়েটও খুব জনপ্রিয়। প্রায় সাত দিন বা দশ দিন একই রকম খাবার পাতে রাখা হয়। ডায়েট যেমনই হোক না কেন, তাতে পুষ্টির ঘাটতি হলে চলবে না। সে কারণে এমন খাবার খেতে হবে যাতে ক্যালোরির মাত্রাও কম আবার শরীরে প্রয়োজনীয় ভিটামিন, প্রোটিন ও খনিজও ঢোকে।
প্রোটিন ও ফাইবার সমৃদ্ধ কিনোয়া খেলে পেট অনেক ক্ষণ ভরা থাকবে। ওজনও কমবে। এক ধরনের ফুলগাছের বীজ হল কিনোয়া। এতে যেমন কার্ব আছে, তেমনই প্রোটিনে ভরপুর। শস্য না হয়েও যেহেতু শস্যের মতোই কাজ করে, তাই অনেকেই একে সিউডো সিরিয়ালও বলে থাকেন। সাদা, লাল ও কালো— মূলত এই তিন ধরনের কিনোয়া পাওয়া যায়। সাদা কিনোয়া সহজপ্রাপ্য। প্রোটিন, ভিটামিন বি ও ফাইবারে ভরপুর কিনোয়া শরীরের জন্য খুব উপকারী।
কিনোয়া নানা রকম ভাবে খাওয়া যেতে পারে, যেমন, কিনোয়ার স্যালাড বানাতে পারেন। প্রথমেই কিনোয়া নুন জলে সিদ্ধ করে নিতে হবে। এর মধ্যে একে একে আমন্ড, আখরোট, বেদানা, কাসুন্দি, সরষের তেল, নুন ও তাল পাটালি মিশিয়ে নিতে হবে। এ বার প্লেটের উপরে লেটুস সাজিয়ে তার উপরে এই স্যালাড রাখুন।
কিনোয়ার স্যুপ খুব উপকারী। আধ কাপ কিনোয়া ভাল করে ধুয়ে নিন। পেঁয়াজ, রসুন, গাজর, বিন, কড়াইশুঁটি ইত্যাদি পছন্দমতো সব্জি কেটে নিন। একটি পাত্রে তেল গরম করে জিরে ফোড়ন দিয়ে পেঁয়াজ-রসুন হালকা ভাজুন। এরপর সব্জিগুলি দিয়ে কিছু ক্ষণ নাড়াচাড়া করুন। ধুয়ে রাখা কিনোয়া, নুন, গোলমরিচ ও জল দিয়ে সেদ্ধ করে নিন। নামানোর আগে লেবুর রস এবং ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে দিন।