Sacred String Wearing Tips

হাতে রংচটা ‘সুরক্ষার ডোর’ পরে থাকেন? এটি করা শুভ তো? মন্দিরের রঙিন দড়ি কখন খুলে ফেলা উচিত?

যেনতেন প্রকারে মন্দির থেকে আনা ডোর হাতে বেঁধে নিলেই হয় না। সেগুলি বাঁধার সঠিক কিছু নিয়ম থাকে। শাস্ত্রমতে, হাতে এই সুতো বাঁধার কারণ হল সেটা রক্ষাকবচ হিসাবে কাজ করে।

Advertisement

শ্রীমতী অপালা

শেষ আপডেট: ১৭ মে ২০২৬ ১৪:০৭
Share:

—প্রতীকী ছবি।

প্রায় প্রত্যেক মন্দিরেই পুজো দিলে হাতে বাঁধার জন্য বিশেষ এক ধরনের দড়ি দেয়। সেগুলির কোনওটার রং হয় লাল, কোনওটা লাল-হলুদ, কিছু আবার হয় সাদা। ভগবানের আশীর্বাদ রূপে সেগুলি আমরা হাতে বেঁধে নিই। মনে আশা রাখি, এই ডোর দেখতে সাধারণ হলেও আসলে এর ক্ষমতা অসাধারণ। তবে যেনতেন প্রকারে সেই ডোর হাতে বেঁধে নিলেই হয় না। সেগুলি বাঁধার সঠিক কিছু নিয়ম থাকে। শাস্ত্রমতে, হাতে এই সুতো বাঁধার কারণ হল সেটা রক্ষাকবচ হিসাবে কাজ করে। তাই সুতো বাঁধা বা খোলা দুইয়েরই বিশেষ কিছু নিয়ম থাকে, এই নিয়ম মেনে তবেই হাতে সুতো বাঁধতে হয়। তা হলেই ফলপ্রাপ্তি ঘটে।

Advertisement

সুতো বাঁধার নিয়ম:

১) সুতো মহিলাদের বাঁ হাতে এবং পুরুষদের ডান হাতে বাঁধতে হয়।

Advertisement

২) সুতো বাঁধার সময় যে হাতে সুতো বাঁধা হয়, তার অপর হাতটা মাথার উপর রাখতে হয়।

৩) সুতো বাঁধার সময় হাতটা মুঠো করে রাখতে হয়।

৪) কব্জিতে তিন পাক আর সাত পাক দিয়ে সুতো বাঁধতে হয়।

৫) শনিবার এবং মঙ্গলবার দিনটি হাতে সুতো বাঁধার জন্য শ্রেষ্ঠ বলে মনে করা হয়।

সুতো খোলার নিয়ম:

১) যে কোনও রঙের সুতো হাতে ২১ দিনের বেশি রাখতে নেই। সঠিক সময়ে না খুলে দিলে শুভ হওয়ার পরিবর্তে অশুভ হতে পারে।

২) হাতের সুতো খোলার সময়ও মঙ্গলবার বা শনিবারেই খুলতে হবে।

৩) যদি সুতোর রং উঠে যায় বা সুতোর মুখ বেরোতে শুরু করে, সেই সুতো খুলে ফেলতে হবে। না হলে গ্রহদোষ লাগতে পারে।

৪) হাতের সুতো খুলে যেখানে-সেখানে ফেলতে নেই। গাছের নীচে অথবা প্রবাহিত জলে ফেলতে হবে।

৫) পুরনো সুতো খুলে তৎক্ষণাৎ নতুন সুতো ধারণ করতে হবে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement