ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।
জীবন কখনও একই ছন্দে এগিয়ে চলে না। তাতে চড়াই-উতরাই থাকবেই। প্রায় সব মানুষকেই নানা কঠিন মুহূর্তের মধ্যে দিয়ে উন্নতির পথে এগিয়ে যেতে হয়। কিন্তু বহু ক্ষেত্রে দেখা যায় যে খারাপ সময় কিছুতেই শেষ হচ্ছে না। একের পর এক সমস্যা লেগেই রয়েছে। বহু চেষ্টা করেও তাদের ফাঁকি দেওয়া যাচ্ছে না। তখন ভেঙে পড়া স্বাভাবিক। সেই সময় মনে হয়, আমাদের সঙ্গে আর ভাল কিছু হওয়ার নেই। কপালে কেবল খারাপই লেখা রয়েছে। তবে এমনটা হওয়ার নেপথ্যে থাকতে পারে নানা কারণ। নেগেটিভ শক্তির পরিমাণ বেড়ে গেলে শত চেষ্টা করেও সফলতার হাতছানি মেলে না।
জীবন থেকে নেগেটিভ শক্তি দূর করার নানা উপায়ের কথা শাস্ত্রে বলা রয়েছে। সেগুলি কোনওটাই খারাপ নয়। সবগুলিই নিষ্ঠা মেনে পালন করলে ফল পাওয়া যায়। ধৈর্য ধরা আবশ্যিক। কিন্তু ব্যস্ত জীবনে সকলের পক্ষে সময় নিয়ে সে সকল টোটকা মেনে চলা সম্ভবপর হয়ে ওঠে না। এরই সঙ্গে সময়ের অভাবে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করাও বিরক্তিকর হয়ে ওঠে। দারচিনি দিয়ে একটা সহজ টোটকা যদি পালন করা যায় তা হলে জীবন থেকে দ্রুত অশুভ শক্তিদের দূর করা সম্ভব। কী করতে হবে, জেনে নিন।
দারচিনির টোটকা:
এই টোটকাটিকে দারচিনি পোড়ানোর টোটকা বলে। শতাব্দীপ্রাচীন টোটকাগুলির মধ্যে এটি অন্যতম। তবে যেনতেনপ্রকারেণ দারচিনি পুড়িয়ে ফেললেই হবে না, বিশেষ উপায় মেনেই করতে হবে।
উপাদান: তাপ নিরোধক পাত্র, চারকোল চাকতি, দারচিনি।
পদ্ধতি: স্নান সেরে শুদ্ধ জামাকাপড় পরে নিন। তার পর সারা বাড়িতে কর্পূরের ধোঁয়া দিয়ে বাড়ির পরিবেশ শুদ্ধ করে নিন। তার পর একটি তাপনিরোধক, আমিষের ছোঁয়া ছাড়া বাটি নিয়ে তাতে চারকোলের চাকতি বসিয়ে সেটিতে আগুন দিন। সেটি পুড়তে শুরু করলে তার উপর দারচিনি গুঁড়ো করে দিন অথবা গোটা দারচিনি দিয়ে দিন। দারচিনি পুড়তে শুরু করলে সদর দরজার সামনে থেকে ঘড়ির কাঁটার দিকে হাঁটতে হাঁটতে সারা বাড়িতে সেই ধোঁয়া দেখান। উপায়টি করার সময় বাড়ির জানলা-দরজা বন্ধ রাখতে হবে। দারচিনি পুড়ে গেলে সেই ছাই বাড়ির বাইরে ফেলে দিন। উপায় শেষে বাড়ির সমস্ত জানলা-দরজা খুলে দিন। প্রতি সপ্তাহের সোমবার বা শুক্রবার এই উপায়টি করতে হবে। পর পর কিছু সপ্তাহের যে কোনও এক দিন এই উপায় নিষ্ঠাভরে পালন করলেই ফল বুঝতে পারবেন।
উপকারিতা: এই উপায় পালনে জীবন থেকে সমস্ত বাধা দূর হয়ে যায়। সফলতা প্রাপ্তিতে আর সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় না। অর্থাভাব কেটে গিয়ে জীবনে আসে সমৃদ্ধি। বাড়ি থেকে নেগেটিভ শক্তি দূর হয়, পজ়িটিভ শক্তির সঞ্চার ঘটে।