ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।
এক জন মানুষের জন্মসংখ্যা, রাশি প্রভৃতির উপর নির্ভর করে উক্ত ব্যক্তির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য কেমন হবে। অর্থাৎ, এক জন মানুষ কেমন প্রকৃতির হবেন সেটি অনেকটাই নির্ভর করে তাঁর রাশি ও জন্মসংখ্যার উপর। হাতের পাঁচটি আঙুল যেমন সমান হয় না, তেমনই পৃথক পৃথক মানুষের আচার-আচরণও হয় ভিন্ন ভিন্ন। প্রেমিক-প্রেমিকা হিসাবেও দেখা যায় নানা পার্থক্য। শাস্ত্র বলছে, প্রত্যেক জাতক প্রেমিক হিসাবে কেমন হবেন তা উক্ত জাতকের জন্মমাস নির্ণয় করে জানা সম্ভব। তার পুরোটা যে মিলবে তেমনটা নয়। তবে কিছু না কিছু সাদৃশ্য থেকেই যায়। জন্মমাসের ভিত্তিতে কোন ছেলে প্রেমিক হিসাবে কেমন হন, জেনে নিন।
জানুয়ারি: এই মাসে জন্মানো জাতকেরা প্রেমিক হিসাবে আবেগি হন। তবে প্রয়োজনে যুক্তিপূর্ণ পরামর্শও দিয়ে থাকেন। এই মাসের জাতকদের যে কোনও প্রয়োজনে পাশে পান প্রেমিকারা। খারাপ সময়ে প্রেমিকার মন ভাল করে তোলার জন্য এঁরা সব কিছু করতে পারেন।
ফেব্রুয়ারি: প্রেমিকার বলা সব কথা মনে রেখে দেন ফেব্রুয়ারি মাসে জন্মানো জাতকেরা। সঙ্গীকে ভালবাসায় ভরিয়ে রাখেন, সব সময় তাঁর খেয়াল রাখেন। প্রেমিকার বলা ভাল কথা যেমন মনে রাখেন, তেমনই খারাপ কথাগুলিও মনের মধ্যে চেপে রেখে দেন। ঝগড়ার সময় সেগুলো তুলে আনেন।
মার্চ: মার্চ মাসে জন্মানো জাতকেরা সঙ্গীর প্রতি অত্যন্ত সহমর্মী হন। প্রেমিকাকে না জানিয়ে তাঁর ভাল লাগবে এমন কাজ করতে পারদর্শী এঁরা। সঙ্গীর সঙ্গে ঝামেলা হলে এঁরা নিজে থেকে তা মেটাতে যান সব সময়। তবে নিজেরা কোনও বিষয়ে কষ্ট পেলে কিছু দিনের জন্য প্রেমিকার থেকে দূরে চলে যান।
এপ্রিল: এপ্রিলে জন্মানো জাতকেরা মজার মানুষ হন। এঁদের সঙ্গে সম্পর্কে থাকলে কখনও একঘেয়েমি কাছে ঘেঁষতে পারে না। এঁরা সর্বদা সম্পর্ককে মাতিয়ে রাখেন। সঙ্গীর ব্যাপারে কেউ কোনও খারাপ কথা বললে এঁরা প্রতিবাদ করেন। প্রেমিকার সঙ্গে ঝামেলাও বেশি ক্ষণ স্থায়ী হতে দেন না। মিটিয়ে নেন।
মে: খামখেয়ালি প্রকৃতির হয়ে থাকেন মে মাসে জন্মানো জাতকেরা। প্রেমিকাকে সময় না দেওয়া নিয়ে এঁদের সঙ্গে ঝামেলা সর্বদা লেগেই থাকে। কিন্তু এঁরা নিজেদের দিক থেকে যথাসাধ্য চেষ্টা করেন সঙ্গীর প্রতি যত্নবান হওয়ার। তবে মনের কথা প্রকাশে কুণ্ঠা থাকায় প্রেমিকা এঁদের ভুল বোঝেন। মে মাসে জন্মানো জাতকদের ভালবাসায় কোনও খামতি থাকে না।
জুন: অত্যন্ত খারাপ সময়েও জুন মাসে জন্মানো জাতকেরা সঙ্গীর মনে আনন্দ দিতে পারেন। এঁরা মজার মানুষ হন। সর্বদা হাসি-খুশি থাকতে পছন্দ করেন। আশপাশের মানুষদেরও বিনোদন দিয়ে চলেন। প্রেমিকার সঙ্গে ভবিষ্যতের জীবন নিয়ে ভাবতে, কথা বলতে পছন্দ করেন এঁরা।
জুলাই: আবেগের দিক দিয়ে জুলাইয়ে জন্মানো জাতকেরা একটু চাপা হন। কিন্তু সঙ্গীর অভিমান হলে এঁরা প্রেমপত্র লিখতেও রাজি থাকেন। এঁদের মধ্যে যে কোনও বিষয়কে নিয়ে বেশি ভেবে ফেলার প্রবণতা দেখতে পাওয়া যায়। কিন্তু সেই ভাবনা এঁরা প্রেমিকার উপর চাপিয়ে দেন না, উল্টে সেটা নিয়ে আলোচনা করাকেই সমীচীন মনে করেন।
অগস্ট: অগস্টে জন্মানো ব্যক্তিরা অত্যন্ত রোম্যান্টিক হন। এঁরা জীবনটাকে সিনেমার সেট মনে করেন। সেখানে নায়িকা হন এঁদের ভালবাসার মানুষটি। তাঁকে কোনও কারণ ছাড়াই ফুল দেওয়া, মন ভাল করার মতো কাজ করা এ সবে পারদর্শী হন এঁরা। ঝগড়ার সময়ও এঁরা এমন কোনও কথা বলেন না যা সঙ্গীকে দুঃখ দেবে।
সেপ্টেম্বর: সেপ্টেম্বরে জন্মানো জাতকেরা কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী। এঁরা প্রেমময় কথা বলতে পারেন না ঠিকই। তবে কাজে করে দেখিয়ে দেন। প্রেমিকার মনে কী ভাবে আনন্দের স্রোত পৌঁছোতে হয় তা এঁদের খুব ভাল ভাবে জানা রয়েছে। সেপ্টেম্বরের জাতকেরা সঙ্গীকে ভালবাসায় ভরিয়ে রাখতে পছন্দ করেন। তাঁদের কখনও একাকী বোধ করতে দেন না।
অক্টোবর: প্রেমিকার সঙ্গে ঘুরে বেড়াতে, নানা রকম মজার কাজ করতে পছন্দ করেন অক্টোবরে জন্মানো জাতকেরা। সম্পর্কে একঘেয়েমি এঁদের মোটেই পছন্দ নয়। তাই নিজেরা দায়িত্ব নিয়ে মাতিয়ে রাখেন এঁরা। এঁদের রাগের উপর নিয়ন্ত্রণ একটু কম। ঝগড়ার সময় বেফাঁস কিছু বলে ফেললেও পরে নিজেদের দোষ স্বীকার করে নেন।
নভেম্বর: নভেম্বর মাসে জন্মানো জাতকদের মন অত্যন্ত নরম হয়। এঁরা সঙ্গীকে কষ্ট দেওয়ার কথা ভাবতেই পারেন না। প্রেমিকার কোনও কাজ খারাপ লাগলে তা এঁরা চেপে না রেখে বলে দেন। এঁরা যে কোনও সমস্যা নিজেদের মধ্যে কথা বলে মিটিয়ে নিতে বিশ্বাসী। সম্পর্কে রাগারাগি, ঝগড়াঝাটি এঁদের মোটেই পছন্দের নয়।
ডিসেম্বর: প্রেমিকার সমস্ত ভাল লাগা-মন্দ লাগা মনে রেখে দেন ডিসেম্বরে জন্মানো জাতকেরা। এঁরা কথায় ভালবাসা বোঝাতে পারেন না, কিন্তু কাজে নিজের অনুভূতির প্রমাণ দেন। ডিসেম্বরে জন্মানো জাতকেরা একটু রগচটা প্রকৃতির হন। কিন্তু এমন কোনও কাজ করেন না যা সঙ্গীকে কষ্ট দেবে।