শাস্ত্রে স্বাক্ষরের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। স্বাক্ষর বলতে
আমরা কেবল কায়দা করে নিজেদের নাম লিখে দেওয়াই বুঝি। কিন্তু সেই কায়দা দেখে বলে
দেওয়া যায় এক ব্যক্তি সম্বন্ধে নানা তথ্য। তেমনটাই জানাচ্ছে শাস্ত্র। কেবল তাই
নয়। সইয়ের ভিত্তিতে আপনি কতটা সফল হতে পারবেন সেটিও বলে দেওয়া সম্ভব। স্বাক্ষর
দেখে যেমন নানা জিনিস বলে দেওয়া যায়, তেমনই কেমন ভাবে সই করলে সফলতাকে নিজের দিকে
আকৃষ্ট করতে পারবেন তার খোঁজও দেয় জ্যোতিষ। সে সম্বন্ধে জেনে নিন।
সফলতা আকৃষ্ট করার জন্য কী ভাবে সই করা উচিত?
- শাস্ত্রমতে, স্বাক্ষরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল সেটির
দিক। স্বাক্ষর কখনও নিম্নমুখী হওয়া উচিত নয়। সেটি সর্বদা ঊর্ধ্বমুখী হলে ভাল হয়।
তা হলে পেশাজীবনে এগিয়ে যাওয়া যায় বলে মনে করছে শাস্ত্র। সই নিম্নমুখী হলে
পেশাজীবনে পিছিয়ে পড়তে হয় বলে মনে করা হচ্ছে।
- কেবল স্বাক্ষরের শেষ ভাগ উপরের দিকে রাখলে হবে না, গোটা
স্বাক্ষরটাই যেন ঊর্ধ্বমুখী হয় সেই বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।
- স্বাক্ষর সর্বদা মসৃণ এবং ধারাবাহিক হতে হবে। মাঝে অযথা
ফাঁক, ভাঙন, অলঙ্কারিত করা এড়িয়ে চলতে হবে। সই সব সময় পরিষ্কার ভাবে, গোটা গোটা
শব্দে লিখতে হবে। সেটি দেখতে যেন ভাল লাগে। তবে সেই ভাল লাগার জন্য তাতে
অপ্রয়োজনীয় দাগ এবং অলঙ্কারে ভরানো যাবে না।
- বহু মানুষ স্বাক্ষরের নীচে একটি দাগ টেনে দেন। এই দাগটি
সর্বদা উপরের দিকে মুখ করে টানতে হবে। তাকে নিম্নগামী করা যাবে না। এতে
আত্মবিশ্বাস এবং কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পায় বলে মনে করা হয়।