ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।
জ্যোতিষশাস্ত্রে গ্রহদের দু’ভাগে ভাগ করা হয়। দ্রুত গতির গ্রহ এবং ধীর গতির গ্রহ। ধীর গতির গ্রহেরা অপেক্ষাকৃত বেশি সময় ধরে এক একটা রাশিতে থাকে। কিন্তু দ্রুত গতির গ্রহেরা কমবেশি এক-দেড় মাসের বেশি কোনও রাশিতে থাকে না। মঙ্গল দ্রুত গতির গ্রহ। বর্তমানে সে মীন রাশিতে রয়েছে। চলতি মাসের ১১ তারিখ মঙ্গল রাশি পরিবর্তন করে পরবর্তী রাশি মেষে প্রবেশ করবে। যে কোনও গ্রহ রাশি পরিবর্তনের ফলে সকলের জীবনে কিছু না কিছু পরিবর্তন দেখা যায়। কারণ, এর ফলে সৃষ্টি হয় নানা রকম যোগ। সে সকল পরিবর্তন ভাল হতে পারে, আবার খারাপও হতে পারে। সেই মতে বিচার করে দেখা যাচ্ছে, মঙ্গল রাশি পরিবর্তন করার ফলে পাঁচ রাশির জাতক-জাতিকাকে খারাপ ফল ভোগ করতে হতে পারে। তালিকায় কারা রয়েছেন, দেখে নিন।
মঙ্গল রাশি পরিবর্তনের ফলে কারা খারাপ ফল পাবেন?
মেষ: মেষ জাতক-জাতিকাদের অশান্তি বৃদ্ধির আশঙ্কা। এর ফলে কোনও কাজে মন বসবে না। কর্মক্ষেত্রে বসের কথা শুনতে হতে পারে। ভ্রমণের যোগ দেখা যাচ্ছে। এর ফলে টাকার টানাটানি চলবে। এই সময় মেষ জাতক-জাতিকারা খরচাপাতি সামলে রাখার চেষ্টা করুন। যে কোনও কথা ভেবেচিন্তে বলুন।
কন্যা: মঙ্গলের গোচর কন্যা জাতক-জাতিকাদের জন্য খারাপ সময় নিয়ে আসছে। এই সময় আপনাদের অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে সমস্ত কাজ করতে হবে। বিশেষ করে, রাস্তাঘাটে চলাফেরা করার সময় সতর্ক না থাকলে মুশকিল। দুর্ঘটনার আশঙ্কা দেখা যাচ্ছে। আর্থিক ক্ষতি হওয়ারও প্রবল আশঙ্কা রয়েছে। কন্যা জাতক-জাতিকারা টাকাপয়সার লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়ে সচেতন থাকুন।
ধনু: ধনু জাতক-জাতিকাদের রাগ বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা দেখা যাচ্ছে। অল্পতেই মেজাজ হারাবেন। ছোটখাটো বিষয় নিয়ে অপরের সঙ্গে ঝামেলা লেগে যাবে। এর ফলে জীবন সমস্যাসঙ্কুল হয়ে উঠবে। কথায় লাগাম লাগানো জরুরি। না হলে কাছের মানুষ দূরে চলে যেতে পারেন। কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীরাও আপনার বিরুদ্ধে চলে যাবেন। এর ফলে দলগত ভাবে কাজ করতে অসুবিধা হবে।
মকর: মঙ্গলের গোচর মকর জাতক-জাতিকাদের মধ্যে নানা খারাপ পরিবর্তন আনতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ভুলভাল জিনিস কেনার প্রতি ঝোঁক বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে অর্থসঙ্কটের সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। মকর জাতক-জাতিকাদের ব্যবহারেও রূঢ়তার ছাপ দেখা যাবে। এর ফলে পরিবারে সদস্যদের সঙ্গে বোঝাপড়া অনুন্নত হবে। কর্মক্ষেত্রেও চাপ বাড়তে পারে।
মীন: মীন জাতক-জাতিকাদের স্বাস্থ্যের উপর খারাপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা দেখা যাচ্ছে। শরীরের উপর নজর রাখা জরুরি। সঠিক সময়ে উপযুক্ত কথা না বলতে পারায় কর্মক্ষেত্রে সমস্যা বৃদ্ধির আশঙ্কা। কাজের চাপ প্রচুর বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে মানসিক দিকেও অস্থিরতা দেখা যেতে পারে। যে কোনও কাজ ধৈর্য ধরে, ঠান্ডা মাথায় করার চেষ্টা করুন।