ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।
আমাদের জীবনে সংখ্যার গুরুত্ব অপার। আমরা কোন দিন, কোন সময়, কোন সালে জন্মেছি সেই অনুযায়ী আমাদের চরিত্রের নানা দিক সম্বন্ধে ধারণা পাওয়া যায়। ভাল হোক বা খারাপ, সব কিছু সম্বন্ধেই বলে দেওয়া যায়। সাহায্য করে সংখ্যাতত্ত্ব। সংখ্যাতত্ত্ব অনুসারে, ভিন্ন ভিন্ন জন্মসংখ্যার ব্যক্তিদের মধ্যে নানা রকম চারিত্রিক গুণাবলি ও খারাপ দিক সম্বন্ধে বলে দেওয়া যায়। প্রতিটি মানুষের মধ্যে নানা রকমের স্বভাব দেখা যায়। সংখ্যাতত্ত্ব মতে, সে সকল স্বভাবের অনেকটাই আসে উক্ত মানুষের জন্মসংখ্যা থেকে। সেই অনুযায়ী বিচার করে দেখা যাচ্ছে, প্রত্যেক জন্মসংখ্যার ব্যক্তিদের কিছু স্বভাব অন্যান্য মানুষ পছন্দ করেন না। উল্টে বিরক্ত হন। কার কোন স্বভাব বাকি মানুষদের কাছে অপছন্দের, জেনে নিন।
১: জন্মসংখ্যা ১-এর জাতক-জাতিকারা নিজেদের সর্বদা ঠিক মনে করেন। অন্যদের কথায় বিশেষ গুরুত্ব দেন না। এর ফলে আশপাশের মানুষেরা অসম্মানিত এবং অবহেলিত বোধ করেন।
২: ২ জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকাদের মেজাজের তল পাওয়া যায় না। এঁরা যে কোনও বিষয় নিয়ে বেশি ভেবে ফেলেন। মেজাজ যখন-তখন ভাল থেকে খারাপ হয়ে যায়। সেই কারণে আশপাশের মানুষেরা বিরক্ত বোধ করেন।
৩: নিজেকে নিয়েই ব্যস্ত থাকেন ৩ জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকারা। সর্বদা নিজের বড়াই করতে পছন্দ করেন। তাঁদের এই স্বভাব অপরের বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
৪: ৪ জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকারা একগুঁয়ে প্রকৃতির হন। তাঁদের এই স্বভাব নিজেদের জন্য যেমন বিপদ ডেকে আনে, তেমনই কাছের মানুষদেরও অপছন্দের হয়।
৫: কোনও একটি বিষয়ে স্থির থাকেন না ৫ জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকারা। এঁরা ঘন ঘন নিজেদের মতবাদ এবং সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন। এর ফলে কেউ এঁদের বিশ্বাস করতে পারেন না।
৬: ৬ জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকারা মানুষের ব্যক্তিগত পরিসরেও হস্তক্ষেপ করে ফেলেন। এঁরা যে কোনও বিষয় নিয়ন্ত্রণ করতে চান। তাই আশপাশের মানুষেরা এঁদের প্রতি বিরক্ত হন।
৭: কোনও কারণ ছাড়া হুট করে কথা বন্ধ করে দেওয়া ৭ জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকাদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যর মধ্যে পড়ে। সেই কারণে কাছের মানুষেরা বুঝতে পারেন না কী হল এবং দূরে সরে যান।
৮: ৮ জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকাদের গাম্ভীর্য তাঁদের অপরের কাছে বিরক্তির কারণ করে তোলে। এঁরা সহজে মিশতে পারেন না।
৯: রাগ অত্যন্ত বেশি হয় ৯ জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকাদের, যা অপরের মনে বিরক্তি সৃষ্টি করে।