ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।
কারও ব্যাপারে মন্তব্য করার ব্যাপারে মানুষ সর্বদাই এগিয়ে। কারও সম্বন্ধে ভাল ভাবে জানা না থাকলেও তাঁকে নিয়ে সহজেই আমরা অনেক কিছু বলে দিই। বাইরে থেকে দেখে যেটুকু যা বোঝা যায়, তার উপর নির্ভর করেই আমরা মানুষটির ব্যক্তিত্ব বিচার করে ফেলি। সেটি করা মোটেই উচিত নয়, তবে অপরকে নিয়ে চর্চা করা মানবজাতির স্বভাবের মধ্যেই পড়ে। কুঁড়ে। এই তকমার অধিকারী আমরা অনেকেই। কাউকে একটু হেলেদুলে কাজ করতে দেখলেই আমরা তাঁকে কুঁড়ের তকমা দিয়ে বসি। শাস্ত্র জানাচ্ছে, নির্দিষ্ট কিছু জন্মতারিখের জাতক-জাতিকাদের কপালে কুঁড়ে হওয়ার বদনাম অন্যদের তুলনায় একটু বেশিই জোটে। কিন্তু আদতে তাঁরা মোটেই কুঁড়ে নন, বরং উল্টোটাই। তবে এঁদের দুলকি চলনে কাজ করার অভ্যাস দেখে লোকে এঁদের কুঁড়ে বলে। তালিকায় কারা রয়েছেন, জেনে নিন।
কাদের কুঁড়ে মনে হলেও আদতে তাঁরা অত্যন্ত কর্মঠ?
৩: ৩ জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকারা পছন্দসই কাজ না পেলে কুঁড়ের রূপ ধারণ করেন। যে কাজ এঁদের মনে ধরে না, সে কাজ এঁরা ভালবেসে করেন না। এর ফলে হাজার কথা শুনতে হলেও ৩ জন্মসংখ্যার ব্যক্তিদের কাজে গতি আসে না। তবে মনোমতো কাজ পেলে এঁরা সকলকে ছাপিয়ে যান। তখন এঁদের কর্মদক্ষতা চোখে পড়ার মতো হয়। সময়ের কাজ এঁরা সময়ে করতেই বেশি পছন্দ করেন। তবে শর্ত হয় একটাই, সেই কাজ হতে হবে এঁদের পছন্দের।
৫: ৫ জন্মসংখ্যার ব্যক্তিরা অত্যন্ত দক্ষ এবং মেধাবী হন। যে কোনও কাজ এঁরা অতি সহজে করে ফেলতে পারেন। যে কাজ করতে অন্যদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাবার হয়ে যায়, সেই কাজ এঁরা তুলনামূলক কম সময়ে করে ফেলতে পারেন। ৫ জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকারা নিজেরাও সেটা জানেন। তাই কাজ নিয়ে এঁরা অন্যদের মতো তাড়াহুড়ো করেন না, চিন্তায় মাথার চুলও ছেঁড়েন না। সেই কারণে সহকর্মীদের কাছে এঁরা কুঁড়ে হিসাবে পরিচিত।
৭: ৭ জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকারা শুয়ে-বসে সময় কাটাতে ভালবাসেন। যে কাজে অতিরিক্ত কায়িক শ্রমের প্রয়োজন, সে কাজের দিকে এঁরা পা বাড়ান না। তবে সৃজনশীল যে কোনও কাজ এঁরা অত্যন্ত নিপুণতার সঙ্গে করে থাকেন। এঁরা যে কাজ ভালবাসেন, সে কাজের দায়িত্ব পেলে তাতে ডুব দেন। ৭ জন্মসংখ্যার ব্যক্তিদের যে কাজে আগ্রহ নেই, সেই কাজ এঁরা কোনও মতেই করতে চান না। কিন্তু পছন্দসই কাজ পেলে এঁরা কাজের বাইরে আর কোনও দিকে গুরুত্ব দেন না।