২০ জুন, শনিবার জামাইষষ্ঠী। বিশেষ এই দিনটি প্রায় প্রতিটি
বাঙালি হিন্দু বাড়িতে হইহই করে পালন করা হয়। এই তিথি বিবাহিত মেয়ের
মায়েদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। কারণ, এই দিন মেয়ে-জামাই বাড়িতে আসে। তাঁদের সুস্বাস্থ্য
কামনায় মেয়ের মায়েরা ষষ্ঠীব্রত পালন করে থাকেন। চলে দেদার খাওয়াদাওয়া। উপহার
আদানপ্রদানও হয়। তবে কেবল আনন্দ করলেই হবে না, বিশেষ এই দিনে মেয়ের মায়েদের পালন
করতে হবে নির্দিষ্ট কিছু টোটকা। তা হলে সুফল প্রাপ্তি ঘটবে। সেগুলি কী, জেনে নিন।
টোটকা:
- জামাইষষ্ঠীর দিন বাড়িতে যতই ভাল আমিষ পদ রান্না হোক না
কেন, শাশুড়ি মায়েরা যে হেতু ষষ্ঠীর ব্রত পালন করছেন, তাই তাঁদের এই দিন নিরামিষ
আহার গ্রহণ করাই শ্রেয়। সঠিক নিয়ম মেনে নিরামিষ খাবার খেতে না পারলেও, মাছ-মাংস না
খাওয়াই ভাল হবে বলে মনে করা হয়।
- বিশেষ এই অনুষ্ঠানে তালপাতার পাখা রাখতেই হবে। বাজার থেকে
নতুন তালপাতার পাখা কিনে আনতে হবে। জলে ভিজিয়ে সেই পাখার হাওয়া দিতে হবে
মেয়ে-জামাইকে। এ ক্ষেত্রে অন্য কোনও পাখা ব্যবহার করলে হবে না।
- মা ষষ্ঠীর ব্রতয় বিজোড় সংখ্যার ফল রাখতে হবে। জোড় সংখ্যার
ফল দিলে হবে না।
- জামাইষষ্ঠীর দিন যেন কোনও ভাবেই জামাই শ্বশুরবাড়িতে একলা না
আসে,
মেয়ে-জামাই যেন একসঙ্গে আসে।
- বিশেষ এই দিনের মেনুতে পায়েস রাখা আবশ্যিক। তেমনটাই জানাচ্ছে
জ্যোতিষশাস্ত্র। এরই সঙ্গে জামাইকে বিজোড় সংখ্যার মিষ্টি খেতে দিন। জোড় সংখ্যার
মিষ্টি না দেওয়াই ভাল বলে মনে করা হয়।
- জামাইষষ্ঠীতে মা ষষ্ঠীর চরণে তেল-হলুদ নিবেদন করুন। তার পর
দইয়ের সঙ্গে সেই হলুদের মিশ্রণ মিশিয়ে মেয়ে-জামাইয়ের কপালে ফোঁটা এঁকে দিন। আর
সাদা সুতো সেই হলুদের মিশ্রণে ডুবিয়ে শুকিয়ে নিয়ে ছেলে-মেয়ের হাতে বেঁধে দিন।