ছবি: এআই সহায়তায় তৈরি।
সমাজমাধ্যমের পাতায় চোখ রাখলেই আজকাল ‘কামব্যাক’ সংক্রান্ত নানা পোস্ট চোখে পড়ে। বিশেষ করে জেন জ়ি-দের মধ্যে এই ‘কামব্যাক’ বিষয়টি উল্লেখযোগ্য। দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার পর ঘুরে দাঁড়ানোর বিষয়টিকে ‘কামব্যাক’ বলে। জীবনে যাই হয়ে যাক, ভেঙে পড়লে চলবে না। ঘুরে দাঁড়াতে হবে। ভাঙা টুকরোগুলিকে জোড়া লাগিয়ে পুনরায় নিজেকে মেলে ধরতে হবে। এটাই ‘কামব্যাক’-এর মন্ত্র। কিন্তু সকলের পক্ষে তা করা সম্ভব হয় না। তবে শাস্ত্র বলছে, চার রাশি এ বিষয়ে পারদর্শী হন। তালিকায় কারা রয়েছে, দেখে নিন।
কর্কট: আবেগতাড়িত হন বলে কর্কট জাতক-জাতিকাদের অনেকে দুর্বল ভেবে ভুল করেন। আদতে তাঁরা মোটেই দুর্বল নন। উল্টে অত্যন্ত শক্ত-সমর্থ হন কর্কট জাতক-জাতিকারা। জীবনে এঁদের লক্ষ্য স্থির থাকে। সময় লাগলেও সফলতার শিখরে কর্কট জাতক-জাতিকারা নিশ্চিত ভাবে পৌঁছোন। জীবন এঁদের থেকে যত বারই মুখ ফিরিয়ে নিক না কেন, পরিশ্রম এবং একাগ্রতার মাধ্যমে এঁরা জীবনের হাল ঠিক ফিরিয়ে আনেন।
বৃশ্চিক: বৃশ্চিক জাতক-জাতিকারা অত্যন্ত কর্মঠ হন। কোনও কিছু করেই এঁদের দমিয়ে রাখা যায় না। কৌশল এবং পরিশ্রমের দ্বারা সমাজে এঁরা নিজেদের স্থান দৃঢ় করায় বিশ্বাসী। জীবনে যা-ই হয়ে যাক না কেন, বৃশ্চিক রাশির ব্যক্তিরা ভেঙে পড়েন না। জীবনের খারাপ অধ্যায়গুলি থেকে শিক্ষা নিয়ে সফলতার দিকে ছুটে চলেন এঁরা। নিজেদের ক্রমাগত নব্য প্রযুক্তির সঙ্গে খাপ খাওয়াতে থাকেন। ফলত আশপাশের মানুষেরা চেয়েও এঁদের থামাতে পারেন না।
মকর: জীবনে একের পর এক কঠিন অধ্যায়ের মুখোমুখি হতে হয় মকর জাতক-জাতিকাদের। এঁদের জীবন কখনও সহজ পথে এগোয় না। কিন্তু তার পরও এঁরা থামেন না। লড়াই করে চলা এঁদের রাশিগত প্রকৃতিরই অংশ। জীবন যতই কঠিন হোক, এঁরা সেটির প্রতিরোধ করার জন্য নিজেদেরও শক্ত করে চলেন। স্বপ্নপূরণ না করা পর্যন্ত মকর রাশির ব্যক্তিরা থামেন না। খারাপ সময় কাটিয়ে উঠতে এঁদের বিশেষ সময় লাগে না।
কুম্ভ: জীবনের কঠিন সময়ে কুম্ভ জাতক-জাতিকারা নিজেদের লোকচক্ষুর আড়ালে নিয়ে চলে যান। এঁরা নিজের লড়াই নিজের ছন্দে করতে ভালবাসেন। অপরের সঙ্গে তা নিয়ে কথা বলা এঁদের রাশিগত প্রকৃতিতে নেই। কিন্তু কঠিন সময় কাটিয়ে ফিরে আসতে কুম্ভ জাতক-জাতিকাদের বিশেষ সময় লাগে না। সঠিক ভাবনা এবং কায়িক শ্রমের দ্বারা এঁরা সহজেই খারাপ সময় কাটিয়ে ওঠেন। দুঃখ-দুর্দশা নিয়ে পড়ে থাকতে পছন্দ করেন না।