ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।
জীবনে না বলতে পারার গুরুত্ব অনেক। পেশার স্থান থেকে ব্যক্তিগত জীবন, সব ক্ষেত্রেই সঠিক সময়ে না বলতে শিখে গেলে সব কিছুই অনেক সহজ হয়ে যায়। কিন্তু সকলের পক্ষে এই না বলা সহজ হয় না। কেউ মানুষ বা সুযোগ হারানোর ভয়ে বলতে পারেন না, অনেকে না বলেন না বিপরীতে থাকা মানুষটির যদি খারাপ লাগে সেই ভেবে, বহু মানুষ আবার স্বভাবের কারণে না বলে উঠতে পারেন না। কিন্তু কারণ যেটাই হোক, এর ফল অনেক সময় নিজের জন্য সমস্যার হয়ে দাঁড়ায়। জ্যোতিষশাস্ত্র জানাচ্ছে, রাশিচক্রের কিছু রাশির ব্যক্তিরা এই প্রকৃতির হন। তাঁরা চেয়েও মুখের উপর না বলতে পারেন না। তবে সেই রাশির প্রত্যেকেই যে এই রকম তা নয়। তবে অন্যদের তুলনায়, তাঁদের মধ্যে এই স্বভাব বেশি দেখা যায়।
মেষ: রূঢ় প্রকৃতির হলেও, মুখের উপর না বলায় সমস্যা রয়েছে মেষ রাশির ব্যক্তিদের। বিশেষ করে কাছের মানুষ যদি এঁদের কাছে কোনও অন্যায় আবদারও করেন, তা-ও এঁরা তাঁকে ফেরাতে পারেন না। কর্মক্ষেত্রেও এই কারণে মেষ জাতক-জাতিকাদের নানা সমস্যার মুখে পড়তে হয়। কিন্তু এত কিছুর পরও মেষ রাশির ব্যক্তিরা কাউকে প্রত্যাখ্যান করতে পারেন না।
কর্কট: আবেগী কর্কট রাশির ব্যক্তিদেরও প্রত্যাখ্যানে সমস্যা রয়েছে। এঁরা নিজেরাও যেমন কারও থেকে না শোনা সহ্য করতে পারেন না, তেমনই কারও আবদার ফেলতেও পারেন না। কর্কট রাশির জাতক-জাতিকারা সর্বদা সকলের মন জুগিয়ে চলতে চান। কাউকে অপছন্দ করলেও তাঁর মুখের উপর সেটি বলে দেওয়ার সাহস এঁদের নেই। অপরকে হতাশ করার ভয়ে এঁরা চেয়েও মুখের উপর না বলে দিতে পারেন না।
তুলা: তুলা রাশির জাতক-জাতিকারা ভারসাম্য রেখে চলতে পছন্দ করেন। সেই তাগিদে এঁরা কাউকে মুখের উপর না বলতে পারেন না। এই রাশির জাতক-জাতিকারা মনে করেন, প্রত্যাখ্যান করার ফলে এঁদের জীবনের ভারসাম্যের বিঘ্ন ঘটবে। কর্মক্ষেত্র থেকে ব্যক্তিগত জীবন, সব জায়গাতেই এঁরা মনের গহীনে থাকা ভয়ের কারণে না বলে উঠতে পারেন না।
মীন: মীন রাশির জাতক-জাতিকারা অত্যন্ত সংবেদনশীল প্রকৃতির হন। এঁরা সর্বদা সকলকে সাহায্য করার জন্য তৈরি থাকেন। সে ক্ষেত্রে যদি নিজেদের কোনও সমস্যায় পড়তে হয়, সেটিরও তোয়াক্কা করেন না এঁরা। তাই কাউকে প্রত্যাখ্যান করার ক্ষমতাও এঁদের রাশিগত প্রকৃতিতে নেই। নিজের যত বড় ক্ষতিই হয়ে যাক না কেন, দরকারের সময় এঁরা কাউকে না বলেন না।