—প্রতীকী ছবি।
রাশি অনুযায়ী প্রতিটি মানুষের চরিত্রের নানা দিক সম্বন্ধে বলে দেওয়া যায়। রাশির বিচারে প্রত্যেকের মধ্যেই কিছু না কিছু বৈশিষ্ট্য দেখতে পাওয়া যায়। জ্যোতিষশাস্ত্র জানাচ্ছে, এক এক রাশির ব্যক্তিরা ভিন্ন ধরনের হন। তাঁদের মধ্যে যেমন কিছু মিল থাকে, তেমনি থাকে নানা অমিল। সেই মতে বিচার করে দেখা যাচ্ছে রাশিচক্রের চার রাশির জাতক-জাতিকারা দয়ার সাগরের মাঝি। এঁরা সর্বদা সকলের সাহায্যে নিঃস্বার্থ ভাবে পাশে দাঁড়াতে পছন্দ করেন। তালিকায় কারা আছে দেখে নিন।
কোন রাশির ব্যক্তিরা অত্যন্ত দয়াবান হন?
কর্কট: কর্কট জাতক-জাতিকাদের আবেগ তাঁদের দয়াবান করে তোলে। যে মানুষ এঁদের সঙ্গে একটু হেসে কথা বলেন, তাঁদের প্রতি এঁরা যত্নবান হয়ে ওঠেন। আশপাশের মানুষদের ভাল-মন্দের খোঁজ এঁরা সর্বদা রাখেন। কখনও কারও দরকারে মুখ ফিরিয়ে নেন না কর্কট রাশির মানুষেরা। এঁরা সর্বদা নিজের সবটুকু দিয়ে কাছের মানুষদের সাহায্য করার চেষ্টা করেন।
কন্যা: নিখুঁত প্রেমী কন্যা জাতক-জাতিকাদের দেখে বোঝা না গেলেও, এঁদের মনে দয়ার অন্ত নেই। রাস্তায় হোক বা কর্মক্ষেত্রে, কোনও মানুষকে বিপদে পড়তে দেখলে মুখ ফিরিয়ে চলে যেতে পারেন না এঁরা। সব সময় সকলকে সাহায্য করার চেষ্টা করেন। কন্যা জাতক-জাতিকারা আবেগ প্রকাশে পিছিয়ে থাকলেও, দরকারে পরামর্শ দেওয়ার ব্যাপারে এঁরা অন্যদের থেকে এগিয়ে।
তুলা: ভারসাম্যপ্রেমী তুলা রাশির জাতক-জাতিকারা সকলকে সঙ্গে নিয়ে এগোতে পছন্দ করেন। এঁরা কখনও, কোনও পরিস্থিতিতেই কেবল নিজেকে নিয়ে ভাবতে পারেন না। কর্মক্ষেত্র হোক বা বন্ধুমহল, সব ক্ষেত্রে এঁরা অপরকে সাহায্য করার জন্য সদা প্রস্তুত। অপরের দরকারে মুখ ফিরিয়ে চলে আসা এঁদের রাশিগত প্রকৃতিতে নেই। অন্যের সাহায্য করতে গিয়ে নিজের ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে কি না সে সব নিয়েও ভেবে দেখেন না তুলা রাশির ব্যক্তিরা।
মীন: সংবেদনশীল মীন রাশির জাতক-জাতিকাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ তাঁদের সমবেদনা। কারও সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা বা কাউকে ছোট করার কায়দা এঁদের আয়ত্তের বাইরে। সর্বদা সকলের সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলতে পছন্দ করেন এঁরা। মীন জাতক-জাতিকারা নিঃস্বার্থ ভাবে অপরকে সাহায্য করতে ভালবাসেন। অপরের দরকারে পাশে থাকাই এই রাশির ব্যক্তিদের জীবনের মূল মন্ত্র হয়।