হস্তরেখাবিদ্যার আওতায় যে কেবল তালুতে থাকা নানা চিহ্ন বা
হাতের রেখারই বিচার করা হয় তেমনটা নয়। এ ভ্রান্ত ধারণা অনেকেরই রয়েছে। কিন্তু
হস্তরেখাশাস্ত্রে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের গঠনেরও বিচার করা হয়। সেই মতে নির্দিষ্ট
ব্যক্তির চরিত্রের নানা দিক তুলে ধরা যায়। কোনও মানুষের বৃদ্ধাঙ্গুলি উক্ত
ব্যক্তির সম্বন্ধে নানা কথা বলে। কার বুড়ো আঙুলের আকৃতি কেমন সেটির উপর অনেক কিছু
নির্ভর করে বলে জানাচ্ছে শাস্ত্র। ভিন্ন ধরনের বৃদ্ধাঙ্গুলির মানুষেরা কেমন হন,
জেনে নিন।
- যাঁদের বৃদ্ধাঙ্গুলির উপরিভাগ নীচের অংশের তুলনায় বেশি বড়
হয়, তাঁদের সফলতা প্রাপ্তির পথে নানা বাধার সম্মুখীন হতে হয়। এঁরা প্রচুর পরিশ্রম
করেও মনোমতো ফল পান না। যে কোনও ক্ষেত্রে নানা বাধা পেরিয়ে যেতে হয়।
- যে সকল মানুষের বৃদ্ধাঙ্গুলির উপর ও নীচ, উভয় অংশ প্রায়
সমান আকৃতির হয়, তাঁদের ভাগ্য সর্বদা সঙ্গ দেয়। এঁদের হাতেগোনা কয়েক জন মানুষের
সঙ্গেই বন্ধুত্ব থাকে, তবে তাঁরা এঁদের প্রকৃত বন্ধু হন। যে কোনও বিপদে পাশে
দাঁড়ান। এই ধরনের ব্যক্তিরা বুদ্ধিমান হন। সৃজনশীল কাজের প্রতিও এঁদের ঝোঁক থাকে।
- যাঁদের বৃদ্ধাঙ্গুলির উপরিভাগ ছোট ও নীচের অংশ বড় হয়,
তাঁরা কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে সফলতা অর্জন করতে সক্ষম হন। দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হন, কোনও
কাজ এক বার করবেন বলে ভাবলে সেটি করেই ছাড়েন। তবে এঁদের রাগ একটু বেশি হয়। চট করে
রেগে যান। কিন্তু মাথা তাড়াতাড়ি ঠান্ডাও হয়ে যায়।
- যে সকল ব্যক্তির বৃদ্ধাঙ্গুলি আকারে একটু বেশিই ছোট হয়,
তাঁদেরও জীবনের নানা ক্ষেত্রে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। আর্থিক দিক দিয়ে
এঁদের সমস্যার শেষ থাকে না। প্রচুর পরিশ্রম করেও মনোমতো অর্থ উপার্জনে বেগ পেতে
হয়।
- যাঁদের বৃদ্ধাঙ্গুলি মাঝারি আকৃতির হয়, তাঁরা অত্যন্ত
মিষ্টি স্বভাবের হন। সমাজে এঁদের খুব নামডাক হয়। এই সকল ব্যক্তিদের শিল্পীসত্তা হয় প্রশংসনীয়। যে কোনও শৌখিন কাজে এঁরা অত্যন্ত পটু হন। জীবনে প্রচুর খ্যাতি অর্জন
করতে পারেন।