ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।
সনাতন ধর্মে বাড়ির সুখ, সমৃদ্ধি বজায় রাখার জন্য এবং স্বামীর মঙ্গলের জন্য কিছু নিয়মের উল্লেখ রয়েছে। বিশ্বাস করা হয়, স্বামী যখন অফিসের কাজে বা ব্যবসার জন্য বাড়ি থেকে বার হন, তখন স্ত্রীর কিছু কাজ করা থেকে বিরত থাকা উচিত। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, সেই কাজগুলি না করলে স্বামীর যাত্রাপথ শুভ হয় এবং কাজে বাধা আসে না। সেই কাজগুলি নিয়ে নীচে বিস্তারে আলোচনা করা হল যেগুলি স্বামী বাড়ি থেকে বেরোনোর ঠিক পরেই করা উচিত নয়—
ঘর পরিষ্কার করা
স্বামী বাড়ি থেকে বার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘর ঝাড়ু দেওয়া বা মুছে পরিষ্কার করা জ্যোতিষমতে অত্যন্ত অশুভ বলে মনে করা হয়। বিশ্বাস করা হয়, এর ফলে ঘরের লক্ষ্মী রুষ্ট হন এবং যে কাজের জন্য স্বামী বাইরে গিয়েছেন, তাতে বাধা আসতে পারে। স্বামী যাওয়ার বেশ কিছুক্ষণ পর এই কাজগুলি করা উচিত।
স্নান করা
স্বামী কোনও শুভ কাজে রওনা দেওয়ার পরেই স্ত্রীর চুল ধোয়া বা তড়িঘড়ি স্নান করা উচিত নয়। হিন্দু শাস্ত্রে মনে করা হয়, এটি যাত্রার উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং কাজের সাফল্যকে বিঘ্নিত করতে পারে।
চুল আঁচড়ানো
স্বামী ঘর থেকে বার হওয়ার পরেই চুল আঁচড়ানো বা নখ কাটার মতো কাজ করা নিষিদ্ধ। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, এই কাজগুলি রাহু এবং কেতুর নেতিবাচক প্রভাব বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে স্বামীর কাজে আকস্মিক বাধা বা দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা থাকে।
প্রসাধন তোলা
স্বামী বাড়ি থেকে বেরোনোর পর তড়িঘড়ি প্রসাধন তুলে ফেলা অশুভ লক্ষণ হিসাবে দেখা হয়। এটি স্বামীর যাত্রায় অমঙ্গল ডেকে আনতে পারে বলে লোকবিশ্বাস রয়েছে।
বাসন মাজা
স্বামী খাওয়াদাওয়া করে বার হওয়ার পরপরই রান্নাঘর বা উনুন পরিষ্কার করে ফেলা ঠিক নয়। কিছু ক্ষণ অপেক্ষা করে রান্নাঘর পরিষ্কার করা অথবা বাসন মাজার কাজে হাত লাগানো উচিত।
ধারালো জিনিস ধার দেওয়া
স্বামী বাড়ি থেকে বার হওয়ার পর কোনও প্রতিবেশীকে লবণ, সুচ, কাঁচি বা ছুরি জাতীয় ধারালো জিনিস দেওয়া উচিত নয়। জ্যোতিষমতে, এর ফলে ঘরের আর্থিক সমৃদ্ধি কমে যায় এবং স্বামীর কাজে আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়।
জল ঢালা
স্বামী চলে যাওয়ার পর বাড়ির বাইরে জল না ঢালা হয় তা অশুভ বলে মনে করা হয়। এর ফলে পরিবারের সম্পদ নষ্ট হতে পারে। তা ছাড়া কোনও জলের কলসি বা বালতি খালি রাখাও উচিত নয়। কোনও কারণে তা খালি থাকলে উল্টো করে রাখা উচিত।