ISIS

আইএস, আল কায়েদার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে এ রাজ্যের বাসিন্দা-সহ গ্রেফতার ১২! আলাপ গেমিং অ্যাপে

অন্ধ্রপ্রদেশে এবং দিল্লি পুলিশের যৌথ অভিযানে ১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই চক্রে আরও কেউ জড়িত কি না, তার খোঁজও চালাচ্ছে পুলিশ।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৭ মার্চ ২০২৬ ১৫:০৬
Share:

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

আল কায়েদা, আইএসের মতো নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে ১২ জন গ্রেফতার। ধৃতদের মধ্যে কেউ দিল্লির, কেউ অন্ধ্রপ্রদেশের, কেউ বিহারের, তো কেউ পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা। তবে প্রত্যেকেই একই শৃঙ্খলে জড়িত! অন্ধ্রপ্রদেশে এবং দিল্লি পুলিশের যৌথ অভিযানে ১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই চক্রে আরও কেউ জড়িত কি না, তার খোঁজও চালাচ্ছে পুলিশ।

Advertisement

ধৃতদের মধ্যে মির আসিফ আলি পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা। এ ছাড়া, মহম্মদ রহমতুল্লা শরিফ, মির্জা সোহেল বেগ এবং মহম্মদ দানিশকে গ্রেফতার করা হয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে। পাশাপাশি ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন দিল্লির লাকি আহমেদ, রাজস্থানের জিশান, কর্নাটকের আব্দুল সালাম, মহারাষ্ট্রের শাহরুখ খান ও শিয়াক পিয়াজ় এবং তেলঙ্গানার সাইদা বেগম।

তদন্তকারী সূত্রে খবর, ধৃতেরা সকলেই একটি গেমিং অ্যাপের মাধ্যমে পরিচিত হন। পরে জুড়ে যান আইএস বা আল-কায়েদার মতো সংগঠনের সঙ্গে। অভিযোগ, ধৃতেরা তাঁদের সমাজমাধ্যমে আইএসের পতাকার ছবি দিয়েছিল। এমনকি, ভারতের জাতীয় পতাকা পুড়িয়ে আইএসের প্রশংসা করতেও শোনা গিয়েছে কাউকে কাউকে। ভারতকে ইসলামিক দেশ করার কথাও আলোচনা করেছেন ধৃতেরা। সেই সব অভিযোগের সূত্র ধরেই এই অভিযান।

Advertisement

তদন্তে জানা গিয়েছে, প্রশিক্ষণ নিতে এক মাসের জন্য পাকিস্তানে যাওয়ার পরিকল্পনাও ছিল ধৃতদের। তাঁদের মধ্যে অন্ধ্রের তিন যুবক একটি সংগঠনও তৈরি করেছিলেন। সেই সংগঠন যুব সমাজকে সন্ত্রাসমূলক কর্মকাণ্ডে প্রভাবিত করার চেষ্টা করত বলে অভিযোগ। তদন্তকারী সূত্রে খবর, ধৃতেরা ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধের পরিকল্পনা করছিলেন। কয়েকটি রাজ্যে নিজেদের নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করার কাজে লিপ্ত ছিলেন অভিযুক্তেরা।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement