West Asia Crisis

জ্বালানির অভাব হবে না তো? দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলির কাছে বিশদ তথ্য চাইল কেন্দ্রীয় সংস্থা

অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের নির্দেশে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসাবেই এই তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে। আগামী সাত দিনের জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে কি না, তা-ও জানতে চেয়েছে এএআই।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৩ মার্চ ২০২৬ ২০:৫৫
Share:

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

যুদ্ধ পরিস্থিতিতে উত্তপ্ত পশ্চিম এশিয়া। হামলা, পাল্টা হামলার জেরে বন্ধ অনেক দেশের আকাশসীমা এবং বিমানবন্দরও। সেই পরিস্থিতিতে দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলিতে কত পরিমাণ জ্বালানি মজুত রয়েছে, তা জানতে চাইলেন ভারতের বিমানবন্দর পরিচালক কর্তৃপক্ষ (এয়ারপোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া বা এএআই)।

Advertisement

মঙ্গলবার এক সূত্রকে উদ্ধৃত করে সংবাদসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে আগামী সাত দিনের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি মজুত রয়েছে কি না, তা দেশের সব আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলির কাছে জানতে চেয়েছে এএআই। অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের নির্দেশে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসাবেই এই তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে বলে এএআই-এর এক সূত্র জানিয়েছে।

ওই সূত্রের দাবি, গড় দৈনিক জ্বালানির খরচ কত, পরবর্তী সাত দিনে আনুমানিক কত পরিমাণ জ্বালানির প্রয়োজন, সেই জ্বালানি মজুত রয়েছে কি না, কবে আবার জ্বালানির প্রয়োজন পড়বে— তা বিশদ জানতে চাওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, ভারতে ৩৩টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রয়েছে। সেই সব বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য চেয়েছে এএআই।

Advertisement

ইরানে আমেরিকা ও ইজ়রায়েলের হামলা এবং তেহরানের পাল্টা আক্রমণে পশ্চিম এশিয়ায় তৈরি হয়েছে যুদ্ধ পরিস্থিতি। মঙ্গলবার সংঘর্ষের চতুর্থ দিনে ইরান হরমুজ় প্রণালী দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে (ছাড় দেওয়া হয়েছে শুধু রাশিয়া এবং চিনের তেলবাহী জাহাজকে)।

সামুদ্রিক পণ্য পরিবহণের উপর নজরদারি চালানো দুই সংস্থা ‘উইন্ডওয়ার্ড’ এবং ‘কেপলার’-এর পরিসংখ্যান বলছে, গত রবিবার মাত্র তিনটি ট্যাঙ্কার মোট ২৮ লক্ষ ব্যারেল নিয়ে হরমুজ় পেরোতে পেরেছিল। সোমবার মাত্র একটি ছোট ট্যাঙ্কার হরমুজ় পেরোনোর ‘দুঃসাহস’ দেখাতে পেরেছে। ২০২৬ সালের পরিসংখ্যান বলছে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে পর্যন্ত হরমুজ় প্রণালী ধরে ১ কোটি ৯৮ ব্যারেল তেল রফতানি করা হয়েছে। কিন্তু এখন তা ৮৬ শতাংশ কমে গিয়েছে। স্বাভাবিক ভাবেই, পশ্চিম এশিয়ার তেল এবং অন্যান্য জ্বালানির উপর নির্ভরশীল দেশগুলির ভাঁড়ারে ক্রমশ টান পড়ছে। তবে মঙ্গলবার পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিংহ পুরী বলেছেন, ‘‘পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে। পরিস্থিতির মোকাবিলায় ভারত পুরোপুরি প্রস্তুত।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement