মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈয়ের হাইলাকান্দি সফরের এক দিন পরই ওই জেলায় পরপর জনসভা করলেন বদরউদ্দিন আজমল।
আজ হাইলাকান্দির সাহাবাদ, বাউরঘাট, আলগাপুরের মতো কয়েকটি জায়গায় তিনি নির্বাচনী প্রচার করেন। আজমলের দাবি, অসমে পরবর্তী সরকার এআইইউডিএফের সমর্থন ছাড়া কোনও ভাবেই গঠন করা যাবে না। তিনি অভিযোগ তোলেন, গৌতম রায়ের সঙ্গে হিমন্তবিশ্ব শর্মার গোপন বোঝাপড়া হয়েছে। সেই হিসেবেই হাইলাকান্দি কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী ঠিক করা হয়েছে।
হাইলাকান্দিতে গৌতম-রাজ চলছে বলে অভিযোগ করে তিনি তা সমূলে উৎখাত করার আহ্বান জানান। আজমল বলেন, ‘‘হাইলাকান্দির বিধায়ক আব্দুল মুহিব মজুমদার ভাল এবং বিজ্ঞ ব্যাক্তি। তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠাতে এআইইউডিএফ অনেক চেষ্টা করলেও, সনিয়া গাঁধী এবং তরুণ গগৈ সেই প্রস্তাবে রাজি হননি।’’ বাউয়ারঘাটের সভায় হাইলাকান্দি কেন্দ্রের দলীয় প্রার্থী আনোয়ার হুসেন লস্কর এ বারের ভোটে হাইলাকান্দি থেকে গৌতম-রাজের অবসান ঘটাবেন বলে ঘোষণা করেন। তিনি বিধায়ক নির্বাচিত হলে হাইলাকান্দিতে চলতে থাকা লুণ্ঠন-রাজ বন্ধ করবেন বলেও কথা দেন। সভার অন্য বক্তা তথা কাটলিছড়া কেন্দ্রের এআইইউডিএফ প্রার্থী সুজামউদ্দিন লস্করও হাইলাকান্দির অনুন্নয়নের জন্য গৌতমবাবুকেই দায়ী করেন।
কাটলিছড়ার সাহাবাদের জনসভাতেও গৌতমবাবুর সমালোচনা করেন আজমল। এ দিন সন্ধেয় আলগাপুরে নির্বাচনী সভায় দলীয় প্রার্থী নিজামউদ্দিন লস্কর বক্তব্য রাখেন। এ দিন হাইলাকান্দির বিভিন্ন সভায় বক্তব্য রাখেন কে এম বাহারুল ইসলাম, সাংসদ রাধেশ্যাম বিশ্বাস, হুসেন আহমেদ, আফজল হুসেন।