এই ধরনের খবরের ক্ষেত্রে আসল ছবি প্রকাশে আইনি নিষেধাজ্ঞা থাকে। — প্রতীকী চিত্র।
ফের বাসের মধ্যে মহিলাকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠল দিল্লিতে। ১৪ বছর আগে, ২০১২ সালে দিল্লিতে বাসের মধ্যে এক তরুণীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছিল তাঁর। তা নিয়ে তোলপাড় হয়েছিল গোটা দেশ। সেই ঘটনার স্মৃতি উস্কে এ বার ফের দিল্লিতে বাসের মধ্যে মহিলাকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠে এল। মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যে বাসচালক এবং কন্ডাক্টরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, একটি বেসরকারি বাসে মহিলাকে গণধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ জমা পড়েছে। মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যে এফআইআর রুজু করা হয়েছে। দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। ঘটনায় ব্যবহৃত বাসটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সংবাদসংস্থা এএনআই অনুযায়ী, ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত সম্ভাব্য সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ।
ধৃতদের পরিচয় পুলিশের তরফে এখনও জানানো হয়নি। তবে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হচ্ছে, ধৃতেরা ওই বাসেরই চালক এবং কন্ডাক্টর। অভিযোগ উঠছে, দু’দিন আগে তাঁরা ওই মহিলাকে গণধর্ষণ করেছেন। সংবাদসংস্থা পিটিআই জানাচ্ছে, গত ১২ মে একটি স্লিপার বাসে ওই ঘটনাটি ঘটেছে বলে অভিযোগ। ঘটনায় ইতিমধ্যে মহিলার বয়ান সংগ্রহ করেছে পুলিশ। দু’জনকে গ্রেফতার করে বাসটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনই বিশদে কোনও মন্তব্য করছেন না তদন্তকারীরা।
দিল্লির এই ঘটনা মনে করিয়ে দিচ্ছে ১৪ বছর আগে, ২০১২ সালের ১৬ ডিসেম্বরের ঘটনা। বন্ধুর সঙ্গে সিনেমা দেখে ফিরছিলেন ২৩ বছর বয়সি এক প্যারামেডিক্যাল ছাত্রী। দক্ষিণ দিল্লির মুনিরকা থেকে বাস ধরেছিলেন তাঁরা। সেই বাসেই তাঁকে গণধর্ষণ করা হয়েছিল। অভিযুক্তদের মধ্যে ছিল নাবালকও। সেই ঘটনায় গোটা দেশ জুড়ে প্রতিবাদ, বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল। ওই ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছিল তৎকালীন কেন্দ্রীয় সরকারকেও। বিক্ষোভ এবং প্রতিবাদের মুখে নারী সুরক্ষা এবং ক্ষমতায়নের জন্য বিশেষ তহবিল গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কেন্দ্র।