Indian Army Chopper Crash

পাহাড়ে ধাক্কা খেয়ে দুমড়ে গিয়েছে চপার, কোনও রকমে বেরিয়ে নিজস্বী তুললেন তিন সেনা আধিকারিক!

লেহ্‌র দুর্গম টাংস্টে এলাকার উপর দিয়ে চপার নিয়ে যাচ্ছিলেন সেনা আধিকারিকেরা। চালকের আসনে ছিলেন এক জন লেফ্‌টেন্যান্ট কর্নেল এবং এক জন মেজর র‌্যাঙ্কের অফিসার।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৩ মে ২০২৬ ১৩:৩৫
Share:

(বাঁ দিকে) দুর্ঘটনার পর সেনা আধিকারিকদের নিজস্বী। দুর্ঘটনাগ্রস্ত সেই চপার (ডান দিকে)। ছবি: সংগৃহীত।

চপার দুর্ঘটনার হাত থেকে কোনও রকমে রক্ষা পেয়ে নিজস্বী তুললেন ভারতীয় সেনার তিন আধিকারিক। লাদাখের লেহ্‌তে গত ২০ মে তাঁদের চপার দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। শনিবার সকালে খবরটি নিশ্চিত করা হয়েছে সেনার তরফে। তবে আধিকারিকদের নিজস্বী সমাজমাধ্যমে ভাইরাল। তা নিয়ে বিতর্কও চলছে।

Advertisement

লেহ্‌র দুর্গম টাংস্টে এলাকার উপর দিয়ে চপার নিয়ে যাচ্ছিলেন ওই সেনা আধিকারিকেরা। চালকের আসনে ছিলেন এক জন লেফ্‌টেন্যান্ট কর্নেল এবং এক জন মেজর র‌্যাঙ্কের অফিসার। চপারের পিছনের আসনে বসে ছিলেন মেজর জেনারেল শচীন মেহতা। তিনি ভারতীয় সেনার থার্ড ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং। নিজস্বীটি তুলেছেন তিনিই। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, তিন আধিকারিকের পাশেই দুমড়ে পড়ে আছে তাঁদের হেলিকপ্টার। তাঁরা প্রত্যেকে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে আছেন এবং এক জন দূর থেকেই ‘ভি’ আকারে আঙুল তুলে দেখাচ্ছেন। এই ছবির সত্যতা আনন্দবাজার ডট কম যাচাই করেনি।

জানা গিয়েছে, যে চপারটি দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল, পুরনো চিতা ফ্লিটের অংশ। একক ইঞ্জিনের ওই চপারে সাধারণত পাঁচ জনের বসার জায়গা থাকে। দুর্ঘটনায় তিন আধিকারিকেরই চোট লেগেছে। তবে চোট গুরুতর নয় কারও। নিজস্বীতেও তা বোঝা গিয়েছে। সমাজমাধ্যমে অনেকেই ছবিটি দেখে তাঁদের জীবিত থাকাকে ‘মিরাকল’ বলে বর্ণনা করছেন।

Advertisement

ভারতীয় সেনার পুরনো এই চিতা ফ্লিটের হেলিকপ্টারগুলির নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে এই দুর্ঘটনার পর। ১৯৭০-এর দশকে প্রথম এই চপারগুলির ব্যবহার সেনায় চালু হয়েছিল। ১৯৮৪ সালে সিয়াচেনে পাকিস্তানে সৈন্যদের বিরুদ্ধে অভিযানে ব্যবহার করা হয়েছিল এই চপার। সেই অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছিল ‘অপারেশন মেঘদূত’। তবে গত কয়েক বছরে চিতা ফ্লিটের চপারগুলি একাধিক দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। অনেকের মৃত্যুও হয়েছে তাতে। এখনও এর ব্যবহার চালিয়ে যাওয়া কতটা নিরাপদ, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সেনা সূত্রে দাবি, ধীরে ধীরে পুরনো চিতা ফ্লিটের চপারগুলি সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তার জায়গায় আনা হচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন নেভাল ইউটিলিটি হেলিকপ্টার। তবে এখনও কিছু পুরনো চপার রয়ে গিয়েছে। লেহ্‌তে কী ভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement