বিহারের গয়ার একটি গ্রামে খননকার্য চালাতে চায় ভারতের পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ বা এএসআই। —প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
মিলতে পারে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। বিহারের গয়ার একটি গ্রামে খননকার্য চালাতে চায় ভারতের পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ (আর্কিয়োলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া বা এএসআই)। ইতিমধ্যেই এএসআই-এর আঞ্চলিক দফতর তাদের সদর দফতরে খননকার্য শুরু করার অনুমতি চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে।
প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, বিহারের গয়া জেলায় অবস্থিত গ্রামটির নাম কুরকিহার। গয়া শহর থেকে ২৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত গ্রামটি। প্রাচীন আমলে এখানেই জনপদ তৈরি হয়েছিল বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করছেন প্রত্নতত্ত্ববিদেরা।
এএসআই-এর পটনার আঞ্চলিক দফতর সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে জানিয়েছে, ব্রিটিশ সেনার সদস্য তথা প্রখ্যাত প্রত্নতত্ত্ববিদ আলেকজান্ডার ক্যানিংহাম ১৮৬১-৬২ সালে এবং ১৯৭৯-৮০ সালে কুরকিহার গ্রামে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি বহু বৌদ্ধ স্থাপত্য দেখতে পান। প্রসঙ্গত, ভারতের বহু জায়গায় খননকার্য চালিয়েছেন ক্যানিংহাম। এএসআই-এর প্রথম ডিরেক্টর ক্যানিংহাম সারনাথ এবং সাঁচীতে খননকার্যের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
কুরকিহার গ্রামে সম্ভাব্য খননকার্য নিয়ে এএসআই-এর পটনা দফতরের প্রধান সুজিত নয়ন পিটিআই-কে বলেন, “আমরা কুরকিহারে খননকার্য চালাতে চেয়ে সদর দফতরে চিঠি দিয়েছি।” তিনি জানান, ওই গ্রামে ইট দিয়ে তৈরি বড় বৌদ্ধ মঠ রয়েছে। মনে করা হচ্ছে, এই খননকার্য চালানো হলে বৌদ্ধ আমলে বহু গুরুত্বপূর্ণ জিনিস উদ্ধার করা যাবে। তবে গ্রামের বাসিন্দারা অন্যত্র চলে যাবার বিষয়ে সম্মতি দেবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।