Babri mosque case

রামজন্মভূমির একটু দূরেই হোক মসজিদ: শিয়া বোর্ড

শীর্ষ আদালতে এ দিনের শুনানিতে উত্তরপ্রদেশের শিয়া সেন্ট্রাল ওয়াকফ বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছে, ‘‘রাম মন্দির আর বাবরি মসজিদ অযোধ্যায় একই জায়গায় থাকলে বিরোধ দেখা দিতে পারে ভবিষ্যতে। তাই অযোধ্যায় যেখানে রাম মন্দির রয়েছে, সেই পবিত্র রাম জন্মভূমির এলাকা থেকে একটি দূরে মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চলে বাবরি মসজিদ বানানো হোক।’’

Advertisement

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ০৮ অগস্ট ২০১৭ ১৯:০৪
Share:

বাবরি মসজিদ।- ফাইল চিত্র।

অযোধ্যায় মন্দির-মসজিদ বিতর্কে সমাধানের সূত্র দিল শিয়া সেন্ট্রাল ওয়াকফ বোর্ড। সুপ্রিম কোর্টে, মঙ্গলবার।

Advertisement

শীর্ষ আদালতে এ দিনের শুনানিতে উত্তরপ্রদেশের শিয়া সেন্ট্রাল ওয়াকফ বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছে, ‘‘রাম মন্দির আর বাবরি মসজিদ অযোধ্যায় একই জায়গায় থাকলে বিরোধ দেখা দিতে পারে ভবিষ্যতে। তাই অযোধ্যায় যেখানে রাম মন্দির রয়েছে, সেই পবিত্র রাম জন্মভূমির এলাকা থেকে একটি দূরে মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চলে বাবরি মসজিদ বানানো হোক।’’ মামলার পরের শুনানি হবে আগামী শুক্রবার।

শিয়া ওয়াকফ বোর্ড এ দিন সুপ্রিম কোর্টে এও বলেছে, বাবরি মসজিদের এলাকাটি তাদেরই সম্পত্তি। তাই এ ব্যাপারে আলাপ-আলোচনায় বসার আইনি অধিকার তাদের আছে।

Advertisement

আরও পড়ুন- বাজারে কেন চালু ৫০০ টাকার দু’রকমের নোট? তোলপাড় রাজ্যসভা

আরও পড়ুন- বাঘেলা নেই, অনিশ্চিত এনসিপি, পটেল জিতবেন?

বোর্ডের প্রস্তাব, সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে সব পক্ষকে নিয়ে যে প্যানেল গড়া হয়েছে, আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই সেই প্যানেল ওই বিরোধের নিষ্পত্তি করুক। ওই প্যানেলে প্রধানমন্ত্রী ও উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রতিনিধিরাও থাকুন।

অযোধ্যায় রাম জন্মভূমির এলাকায় বাবরি মসজিদ গড়ে তোলা হয়েছিল, এই অভিযোগে আজ থেকে ২৫ বছর আগে, ’৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর সেই মসজিদ ভেঙেছিল দুষ্কৃতীরা।

আরও পড়ুন- এসপিজি-র পরামর্শ রাহুল মানেননি: রাজনাথ সিংহ

২০১০ সালে ইলাহাবাদ হাইকোর্টের লখনউ বেঞ্চ ওই বিতর্কিত এলাকাটিকে তিন ভাগে ভাগ করে দেয়। যার একটি রাম লালার (রাম জন্মভূমি) জন্য। বাকি দু’টির একটি নির্মোহী আখড়া, অন্যটি সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডের।

কিন্তু এ দিন সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে শিয়া সেন্ট্রাল ওয়াকফ বোর্ডের তরফে বলা হয়েছে, সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডের নামে ইলাহাবাদ হাইকোর্টের লখনউ বেঞ্চ যে জমি ধার্য করেছিল, সেটা আদতে তাদের জমি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement