Rahul Gandhi

আচমকা দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে রাহুল, সার্কাস বলল বিজেপি

গত কাল কোনও পূর্বনির্ধারিত ঘোষণা ছাড়াই ওই ক্যাম্পাসে পৌঁছন রাহুল। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংগঠনের সভাপতির দফতরে সোজা ঢুকে যান তিনি। সেখানে তফসিলি জাতি, জনজাতি এবং অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক করেন তিনি।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ২৪ মে ২০২৫ ০৮:২৯
Share:

রাহুল গান্ধী। —ফাইল চিত্র।

একেবারে হঠাৎ করেই গত কাল দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডিইউ) নর্থ ক্যাম্পাসে গিয়েছিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। তাঁর সেখানে যাওয়াকে ‘সার্কাস’ বলে কটাক্ষ করেছে বিজেপি। কেন্দ্রের শাসক দলের পাশাপাশি আরএসএসের ছাত্র সংগঠন এবিভিপি-ও রাহুলের এই নর্থ ক্যাম্পাসে যাওয়া নিয়ে সমালোচনায় সরব হয়েছে। সেই সঙ্গেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও একটি বিবৃতি দিয়ে রাহুলের বিরুদ্ধে বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছেন।

গত কাল কোনও পূর্বনির্ধারিত ঘোষণা ছাড়াই ওই ক্যাম্পাসে পৌঁছন রাহুল। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংগঠনের সভাপতির দফতরে সোজা ঢুকে যান তিনি। সেখানে তফসিলি জাতি, জনজাতি এবং অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক করেন তিনি। তবে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোক্টরের দফতরের তরফে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে জানানো হয়েছে, এই নিয়ে দ্বিতীয় বার কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে এলেন রাহুল। তাঁর এই আচমকা ক্যাম্পাস পরিদর্শনে গত কাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাজকর্মের ভয়ানক ক্ষতি হয়েছে বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

আসরে নেমেছে বিজেপিও। দলের নেতা অমিত মালবীয় এক্স হ্যান্ডলে তোপ দেগে বলেছেন, সার্কাস করতে ওখানে গিয়েছিলেন রাহুল। এক তরুণীর প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে রাহুলের পাশ কাটিয়ে চলে যাওয়ার ঘটনারও নিন্দা করেছেন তিনি। ভারতীয় সেনার ‘অপারেশন সিঁদুর’ নিয়ে রাহুলের একটি বিতর্কিত মন্তব্যের ব্যাখ্যা তাঁকে দিতে হবে বলেও দাবি করেন অমিত।

বিজেপির সুরে সুর মিলিয়েই ছাত্র সংগঠনের সভাপতির ঘরে রাহুলের এই বৈঠকের সমালোচনায় সরব এবিভিপি-ও। তারা এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘বিনা আমন্ত্রণে কোথাও আসা, নির্বাচিত কণ্ঠকে রোধ করা এবং ছাত্র সংগঠনের দফতরকে ব্যক্তিগত বৈঠকখানায় পরিণত করাকে নেতৃত্ব বলে না। থিয়েটার বলে।’

তবে বিনা আমন্ত্রণে বা কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে ক্যাম্পাসে রাহুলের আগমন নিয়ে যে বিতর্ক শুরু হয়েছে, তার জবাব দিয়েছেন দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংগঠনের সভাপতি তথা কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠন এনএসইউআইয়ের নেতা রোনক ক্ষেত্রী। তিনি জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন কোনও লিখিত নিয়ম নেই যে, ছাত্র সংগঠনের সভাপতির কাছে কোনও অতিথি এলে, তার আগাম খবর কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। রাহুল ক্যাম্পাসে আসায় প্রশাসনিক কাজের ক্ষতি হওয়ার অভিযোগও উড়িয়ে দিয়েছেন ওই ছাত্রনেতা।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন