—প্রতীকী চিত্র।
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বাজারের সরবরাহ শৃঙ্খল বিপুল চাপের মধ্যে। উদ্বেগ ছড়াচ্ছে ভারতেও। সামনেই গুরুত্বপূর্ণ খরিফ শস্য বপনের সময়। কৃষিকাজে যাতে আঘাত ন্যূনতম রাখা যায়, সে জন্য সংশ্লিষ্ট কিছু দেশের দূতাবাসকে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। সার আমদানির ক্ষেত্রে প্রচলিত সরবরাহ পথের উপরে নির্ভরতা কমাতে রাশিয়া, বেলারুশ, মরক্কো, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়ার সঙ্গে সার আমদানি বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করছে সংশ্লিষ্ট দূতাবাসগুলি।
এই আলোচনা এমন সময়ে হচ্ছে, যখন পশ্চিম এশিয়া থেকে সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। বর্তমানে ভারতের ইউরিয়া ও ডাইঅ্যামোনিয়াম ফসফেট আমদানির একটি উল্লেখযোগ্য অংশ পশ্চিম এশিয়া থেকেই হয়ে থাকে। কর্তারা বলছেন, আপাতত মজুত স্থিতিশীল থাকলেও বিশৃঙ্খলা অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যেতে পারে। সংশ্লিষ্ট এক কর্তার কথায়, “গত বছরের তুলনায় আমাদের কাছে মজুত বেশি আছে। কিন্তু যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে পরিস্থিতি কঠিন হয়ে উঠতে পারে।” ভারতে সাধারণত জুন ও জুলাই মাসে সারের চাহিদা তীব্র ভাবে বাড়ে। তখন কৃষকরা ধান, ভুট্টা, তুলো এবং তৈলবীজের মতো ফসল বোনা শুরু করেন। এই মৌসুমি চাহিদা মেটাতে, সাধারণত মার্চ থেকে মে মাসের মধ্যেই আগেভাগে সার চালানের ব্যবস্থা করে রাখা হয়।
এখন জাহাজ চলাচলের পথে, বিশেষ করে প্রধান জ্বালানি করিডোরগুলোতে বিঘ্ন ঘটায় তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের আমদানিও প্রভাবিত হয়েছে। ওই গ্যাস ইউরিয়া উৎপাদনের জন্য একটি অপরিহার্য উপাদান। একই সময়ে চিন সার রফতানির উপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করায় আরও চাপ সৃষ্টি হয়েছে। সূত্রের দাবি, যুদ্ধের ঠিক আগে ইউরিয়া ছিল প্রতি টন ৪২৫ ডলারের নীচে। এখন সরবরাহ কমে গিয়েছে এবং দাম ৬০০ ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে