উত্তরাখণ্ডে ভারী তুষারপাত। ছবি: পিটিআই।
হিমালয় অঞ্চলে ভারী তুষারপাতের জন্য উত্তর, উত্তর-পূর্ব, মধ্য ভারতের অধিকাংশ রাজ্যে তাপমাত্রা এক ধাক্কায় অনেকটাই নেমে গিয়েছে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কোথাও হিমাঙ্কের অনেক নীচে নেমে গিয়েছে। কোথাও আবার ১ থেকে ১০ ডিগ্রির আশপাশে ঘোরাফেরা করছে। ইতিমধ্যেই ১৫টির বেশি রাজ্যে শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শুধু তা-ই নয়, ঠান্ডার সঙ্গে ঘন কুয়াশার দাপটেরও ইঙ্গিত দিয়েছে মৌসম ভবন।
মধ্যপ্রদেশের শাহডোলের কল্যাণপুরে তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে গিয়েছে। অন্য দিকে, রাজস্থানের চার শহরে ন্যূনতম তাপমাত্রা ৫ ডিগ্রির নীচে। বৃহস্পতিবার রাজ্যের ২৩ জেলায় কুয়াশার দাপটও চলবে বলে জানিয়েছে মৌসম ভবন। শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা জারি করার কারণে রাজস্থানের ২৫ জেলায় স্কুল বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হিমালয় অঞ্চলের রাজ্য উত্তরাখণ্ডের তিন শহরে তাপমাত্রা হিমাঙ্কের ২১ ডিগ্রি নীচে নেমে গিয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে পিথোরাগড়ের আদি কৈলাস, রুদ্রপ্রয়াগের কেদারনাথ এবং উত্তরকাশীর যমুনোত্রী ধাম।
উত্তরপ্রদেশের বারাণসী, মেরঠ এবং ঝাঁসী-সহ ৩৮ জেলায় ঘন কুয়াশার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। অন্য দিকে, লখনউ, কানপুর-সহ ২৬ জেলায় শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাস দিয়েছে মৌসম ভবন। শুক্রবার থেকে পাহাড়ি রাজ্যগুলিতে তুষারপাত বাড়তে পারে। শনিবার বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, বিহার, মধ্যপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড, ছত্তীসগঢ়, পঞ্জাব, হরিয়ানায়। বিহারের ৩৭ জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির আশপাশে ঘোরাফেরা করছে। হরিয়ানার বেশ কয়েকটি জেলায় শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ঘন কুয়াশার কারণে উত্তর ভারতগামী এবং উত্তর ভারত থেকে দেশের অন্য প্রান্তে যাতায়াতকারী দূরপাল্লার ট্রেনগুলি দেরিতে চলছে। বিমান পরিষেবাও ব্যাহত হচ্ছে।
মৌসম ভবন জানিয়েছে, শৈত্যপ্রবাহ চলবে, হিমাচল প্রদেশ, পঞ্জাব, হরিয়ানা, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, সিকিম, অসম, মেঘালয়, ত্রিপুরা, মিজ়োরাম, মণিপুর, নাগাল্যান্ড, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তীসগঢ় এবং উত্তরাখণ্ডে। এ ছাড়াও সতর্কতা জারি করা হয়েছে দিল্লি, জম্মু-কাশ্মীর এবং চণ্ডীগড়েও।