Cooking Gas Price

মহার্ঘ হবে এলপিজি? বাজারদর নিয়ে শঙ্কা

ইতিমধ্যেই পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের ফলে ছোট-মাঝারি শিল্প, বিশেষ করে রফতানিকারীরা যে সমস্যায় পড়েছেন, তার ইঙ্গিত মিলেছে। প্রায় ২ লক্ষ ৬২ হাজার সংস্থা মোদী সরকারের ঋণ গ্যারান্টি প্রকল্পের জন্য আবেদন করেছে। প্রায় ৮০ হাজার আবেদন মঞ্জুর করে ৩৫ হাজার কোটি টাকা ঋণে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

প্রেমাংশু চৌধুরী

শেষ আপডেট: ০২ জুন ২০২৬ ০৯:৩৫
Share:

— প্রতীকী চিত্র।

গৃহস্থের রান্নার গ্যাসের দামও বাড়ানোর আশঙ্কা উস্কে দিয়ে পেট্রলিয়াম মন্ত্রক জানাল, প্রতি সিলিন্ডারে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলির এখন ৬৫০ টাকা লোকসান হচ্ছে। সোমবার থেকেই ১৯ কেজির বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম কলকাতায় ৫৩.৫০ টাকা বেড়ে ৩২৫৫.৫০ টাকা হয়ে গিয়েছে। পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ নিয়ে আমেরিকা-ইরানের সমঝোতা নিয়ে অনিশ্চয়তার জেরে সোমবার অশোধিত তেলের দাম ফের ৩ শতাংশ বেড়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশের মানুষকে পেট্রল-ডিজ়েলের খরচ কমানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন। পেট্রলিয়াম মন্ত্রকের বক্তব্য, এখনও পেট্রল-ডিজ়েলের বিক্রি কমার ইঙ্গিত মেলেনি।

এই পরিস্থিতিতে মোদী সরকারের অন্দরমহলে নতুন করে মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পেট্রলিয়াম মন্ত্রকের যুগ্মসচিব সুজাতা শর্মার দাবি, ‘‘এখনও সরকার রান্নাঘরে যুদ্ধের আঁচ পড়তে দেয়নি। গৃহস্থের এলপিজি-র দাম বাড়েনি।’’ পেট্রল, ডিজ়েলের দাম অবশ্য ইতিমধ্যেই চার দফায় বেড়েছে। পরিবহণের খরচ আরও বাড়লে খাদ্যপণ্যের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। গোদের উপর বিষফোড়ার মতো আবহাওয়া দফতর পূর্বাভাস করেছে, এ বার স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টি হবে। তার ফলে চাষে ধাক্কা লাগবে। কৃষি মন্ত্রক সেটা আঁচ করেই সার মন্ত্রককে জানিয়েছে, আগের তুলনায় এ বার সার কম প্রয়োজন হবে।

ইতিমধ্যেই পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের ফলে ছোট-মাঝারি শিল্প, বিশেষ করে রফতানিকারীরা যে সমস্যায় পড়েছেন, তার ইঙ্গিত মিলেছে। প্রায় ২ লক্ষ ৬২ হাজার সংস্থা মোদী সরকারের ঋণ গ্যারান্টি প্রকল্পের জন্য আবেদন করেছে। প্রায় ৮০ হাজার আবেদন মঞ্জুর করে ৩৫ হাজার কোটি টাকা ঋণে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। অর্থ মন্ত্রকের যুগ্মসচিব মনোজ আয়াপ্পন বলেন, ‘‘এর মধ্যে সরকারি গ্যারান্টির পরিমাণ প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা।’’

মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় মোদী সরকার গোটা দেশের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দামের উপরে কড়া নজরদারি শুরু করেছে। উপভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রকের অতিরিক্ত সচিব অনুপম মিশ্র বলেন, ‘‘খাদ্যশস্য যথেষ্ট মজুত রয়েছে। আলু, টোম্যাটো ও পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধির উপরে নজর রাখা হচ্ছে। এখনও কোনও অস্বাভাবিক ওঠানামা নেই।’’ খাদ্য মন্ত্রকের যুগ্মসচিব সি শিখা বলেন, ‘‘ভোজ্য তেল যথেষ্ট মজুত রয়েছে। আমদানিও হচ্ছে। পশ্চিম এশিয়াকে এড়িয়ে ব্রাজ়িল, আর্জেন্টিনা থেকে সয়াবিন তেল, রাশিয়া-ইউক্রেন থেকে সূর্যমুখী তেল এবং মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া থেকে পাম তেল আমদানি হচ্ছে।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন