নরেন্দ্র মোদি
ধাপে ধাপে লকডাউন বিধি শিথিলের সময়ে বিমান পরিবহণ এবং বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে প্রাণ ফেরানোর রাস্তা খুঁজতে আজ পর পর বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একই সঙ্গে আজ শিক্ষাক্ষেত্রের সংস্কার নিয়েও বৈঠক সেরেছেন মোদী। আগামী দিনে শিক্ষায় প্রযুক্তির ব্যবহারের উপরে জোর দেওয়ার কথা বলেছেন তিনি।
টানা এত দিন প্রায় সব উড়ান বন্ধ থাকায় নাভিশ্বাস বিমান পরিবহণ সংস্থাগুলির। অনেকেই ইতিমধ্যে কর্মীদের বেতন ছাঁটাইয়ের কথা ঘোষণা করেছে। পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার পরে শুরুতে কম যাত্রী নিয়ে কী ভাবে বিমান পরিষেবা চালু করা যায়, সেই বিষয়টিও চিন্তা করছে সরকার। এই অবস্থায় বিমান পরিবহণ ক্ষেত্রকে চাঙ্গা করার রাস্তা খুঁজতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, বিমান পরিবহণমন্ত্রী এবং উচ্চপদস্থ আমলাদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রতিরক্ষার প্রয়োজনের সঙ্গে আপস না-করে ভারতের আকাশকে কী ভাবে আরও দক্ষতার সঙ্গে ব্যবহার করলে ঘরোয়া বিমানযাত্রার সময় কমানো যায়, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। দাবি, তাতে যাত্রীদের সুবিধা হবে। খরচ কমবে সংস্থাগুলিরও। সরকারের আয় বাড়াতে ছ’টি বিমানবন্দরকে সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগের হাতে তুলে দেওয়া এবং বিভিন্ন প্রকল্পে দ্রুত ছাড়পত্র দেওয়ার বিষয়েও কথা হয়েছে বৈঠকে।
আরও পড়ুন: দেশ জুড়ে ১৭ মে পর্যন্ত বাড়ল লকডাউনের মেয়াদ
আরও পড়ুন: সামাজিক দূরত্ব মেনেই পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য বিশেষ ট্রেন, সায় দিল কেন্দ্র
একই ভাবে বিদ্যুৎ শিল্পের সমস্যা খতিয়ে দেখতে আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী ও বিদ্যুৎমন্ত্রীর সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা সেরেছেন মোদী। সারা দেশে সব গ্রাহকের দরজায় চব্বিশ ঘণ্টা (২৪X৭) কী ভাবে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া যায়, তার উপায় খোঁজাকে পাখির চোখ করতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। কাঁধে চেপে থাকা পাহাড়প্রমাণ ঋণ বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থাগুলির অন্যতম সমস্যা। এ দিনের বৈঠকে তাই হিসেব কষে বিদ্যুতের মাসুল ঠিক করা, সময়ে বণ্টন সংস্থাগুলিকে ভর্তুকি জোগানোর বিষয়ে কথা হয়েছে। আলোচনায় উঠে এসেছে বিকল্প বিদ্যুৎ,
সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে জোর দেওয়া, বেসরকারি লগ্নি টানার প্রসঙ্গও।