মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। —ফাইল চিত্র।
পশ্চিমবঙ্গে বিএলও-সহ নির্বাচনী আধিকারিকেরা যে হামলা, হুমকির মুখে পড়ছেন, তার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘উস্কানিমূলক’ মন্তব্যকেই দায়ী করল নির্বাচন কমিশন।
সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে কমিশন জানিয়েছে, মমতা গত ১৪ জানুয়ারি সাংবাদিক বৈঠক করে আতঙ্ক তৈরি করেছেন। এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বিভ্রান্তিকর ও ভুলে ভরা তথ্য ছড়িয়েছেন। নির্বাচনী আধিকারিকদের নিশানা করেছেন, প্রকাশ্যে হুমকি দিয়েছেন এবং ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরির চেষ্টা করেছেন। কমিশনের অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বিবৃতিতে এক জন মাইক্রো অবজ়ার্ভার বা পর্যবেক্ষককে নির্দিষ্ট ভাবে চিহ্নিত করে তাঁকে নিশানা করেন। ফলে তাঁর উপরে প্রকাশ্যে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের জন্য চাপ তৈরি করেন, হুঁশিয়ারি দেন। এর আগে রাজ্য সরকার যে ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছিল, এই মন্তব্য তার বিপরীত। এর ফলে নির্বাচনী আধিকারিকদের নিরাপত্তা, নিরপেক্ষতা, স্বাধীনতাও প্রশ্নের মুখে পড়ছে। অবাধ, নিরপেক্ষ ভোটার তালিকা সংশোধনের জন্য কাজের পরিবেশ বিষিয়ে উঠেছে।
কমিশনের দাবি, এ ধরনের বিবৃতির প্রতিফলন বাস্তবের দেখা যাচ্ছে। মমতার ওই বক্তব্যের দিনই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক ফরাক্কা বিধানসভায় নিযুক্ত ন’জন মাইক্রো অবজ়ার্ভার বা পর্যবেক্ষকের থেকে প্রতিবাদ পত্র পেয়েছেন। যাতে তাঁরা দুষ্কৃতীদের হামলার আশঙ্কা ও নিরাপত্তার অভাবের জন্য এসআইআরের দায়িত্ব থেকে সরে গিয়েছেন।১৫ জানুয়ারি উত্তর দিনাজপুরে চাকুলিয়ায় এসআইআরের কাজের সময় ৭০০ লোক হামলা করে কম্পিউটার, নথি নষ্ট করে দিয়েছে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে