Mamata Banerjee

Mamata Banerjee: দিল্লিতে থেকেও বিরোধী নৈশভোজে নেই মমতা

তৃণমূল ব্যতীত বিরোধীদের সম্মিলিত ঐক্যের ছবিটি আবারও শনিবার স্পষ্ট হবে সংসদে উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সময়।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৬ অগস্ট ২০২২ ০৬:৫৯
Share:

ফাইল চিত্র।

বৃহস্পতিবার রাতে বিরোধীদের সম্মিলিত প্রার্থী মার্গারেট আলভার সম্মানে সংসদের লাইব্রেরি ভবনে একটি নৈশভোজের আয়োজন করেছিলেন রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খড়্গে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন সনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, শরদ পওয়ার, টি আর বালু-সহ সব দলের সংসদীয় নেতা। পনেরোটিরও বেশি বিরোধী দলের নেতাদের ওই মঞ্চে একমাত্র ব্যতিক্রম তৃণমূল কংগ্রেস। ঘটনাচক্রে ওই নৈশভোজের থেকে সামান্য দূরে সাউথ অ্যাভিনিউয়ে তখন উপস্থিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Advertisement

তৃণমূল ব্যতীত বিরোধীদের সম্মিলিত ঐক্যের ছবিটি আবারও শনিবার স্পষ্ট হবে সংসদে উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সময়। রাজনৈতিক সূত্রের মতে, এটা তৃণমূলের কাছে যথেষ্ট অস্বস্তির, কারণ নেত্রী স্বয়ং দিল্লিতে। প্রত্যেক বার তিনি দিল্লি এলে বিরোধী নেতাদের সঙ্গে কোনও না কোনও স্তরে বৈঠক হয়।

গত মাসেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী প্রার্থী বাছতে মমতা দৌড়ে এসেছিলেন। ১৬টি বিরোধী দলের নেতাকে বৈঠকে ডেকেছিলেন কনস্টিটিউশন ক্লাবে। রাজনৈতিক শিবিরের মতে, পার্থ চট্টোপাধ্যায় কাণ্ডের পরে গোটা পরিস্থিতিটাই বদলে গিয়েছে।

Advertisement

সূত্রের বক্তব্য, শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দেখা করতে আসার হলে এই সময়টাকে অবশ্যই বাছতেন না মুখ্যমন্ত্রী, যখন দিল্লিতে বিরোধী জোটের ঐক্যবদ্ধ কর্মসূচি (এ ক্ষেত্রে উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন) চলছে। কারণ তাতে চোখে আঙুল দিয়ে কংগ্রেস বা অন্য বিরোধী দল বলার সুযোগ পাবে যে, মমতা তাঁর নিজের রাজনীতির হিসাবের কারণে বিজেপি-বিরোধিতার প্রশ্নে সমঝোতা করছেন।

কিন্তু সমস্যা হয়ে গিয়েছে, যে দিন নীতি আয়োগের বৈঠক (রবিবার), তার ঠিক আগের দিনই উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন পড়ে গিয়ে। এই কারণেই আজ সংসদে যাওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত গেলেন না মমতা। গেলে সমস্ত বিরোধী দলের মধ্যে ‘অন্য সুরে বাজা’ আরও বিড়ম্বনা বাড়াত।

আজ অবশ্য সংসদে বিষয়টিতে ভারসাম্য আনার চেষ্টা দেখা গিয়েছে তৃণমূলের পক্ষ থেকে। অন্য বিরোধী দলগুলির সঙ্গে (কংগ্রেস সংসদের বাইরে আন্দোলনে ব্যস্ত ছিল) কক্ষ সমন্বয় করেছে বলে দাবি করেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। রাজ্যসভার নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন বলেছেন, “রাজ্যের বিভিন্ন প্রকল্পে কেন্দ্রীয় পুঁজির অভাব, কেন্দ্রীয় বঞ্চনা, উত্তর-পূর্বাঞ্চলে আরও ট্রেনের দাবির মতো বিষয়ে আমরা বার বার সরব হয়েছি। এ ব্যাপারে ডিএমকে, আপ, টিআরএস, আরজেডি, এসপিসবার সঙ্গে আমাদের কক্ষ সহযোগিতা হয়েছে।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement