Gurugram Suicide Case

‘শ্মশানের কাছের পুকুরটায় আমাকে খুঁজো’, লিখে গেল কিশোরী! গুরুগ্রামে তিন দিন পর সেখান থেকেই উদ্ধার দেহ

গত ১২ ফেব্রুয়ারি বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল কিশোরী। পুলিশ তার ঘর থেকে একটি ডায়েরি খুঁজে পায়। তাতে শ্মশান সংলগ্ন পুকুরের কথা লেখা ছিল।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:৫৬
Share:

গুরুগ্রামে চিঠি লিখে আত্মঘাতী একাদশ শ্রেণির ছাত্রী। —প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

হরিয়ানার গুরুগ্রামে একাদশ শ্রেণির ছাত্রীর রহস্যমৃত্যু। বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার তিন দিন পর এলাকার একটি পুকুর থেকে তার দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ওই পুকুরের কথা নিজের ডায়েরিতে লিখে গিয়েছিল কিশোরী। প্রাথমিক ভাবে একে আত্মহত্যার ঘটনা বলেই মনে করছে পুলিশ। তবে অন্য সম্ভাবনাগুলিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Advertisement

গুরুগ্রামের মোকালওয়াস গ্রামের বাসিন্দা ছিল ওই কিশোরী। এলাকারই একটি স্কুলে পড়ত। তার বাবা স্থানীয় আদালতের লাইব্রেরিতে কাজ করেন। পরিবার জানিয়েছে, কিশোরী অত্যন্ত মেধাবী ছাত্রী ছিল। কেন এই চরম সিদ্ধান্ত নিল, স্পষ্ট নয়। সে মানসিক অবসাদে ভুগছিল বলেও কোনও খবর তাদের কাছে ছিল না বলে দাবি পরিবারের। মৃত্যুর আগে তার পরনে ছিল স্কুলের পোশাক। সেই অবস্থাতেই দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল কিশোরী। পুলিশ তার ঘর থেকে একটি ডায়েরি খুঁজে পায়। তাতে লেখা ছিল, ‘‘মা, বাবা, আমাকে ক্ষমা করে দিয়ো। আমি দাদুর কাছে চলে যাচ্ছি। আমাকে খুঁজো না। যদি একান্তই খুঁজতে হয়, শ্মশানের কাছের পুকুরটায় খুঁজো।’’ শনিবার সেখান থেকেই কিশোরীর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

Advertisement

পুলিশ জানিয়েছে, ১১ তারিখ রাতে খাওয়াদাওয়ার পর নিজের ঘরে চলে গিয়েছিল কিশোরী। বাবা-মাকে জানিয়েছিল, সে পড়াশোনা করবে। পরের দিন সকালে উঠে তাকে তার ঘরে দেখা যায়নি। তন্ন তন্ন করে খুঁজেও মেয়েকে কোথাও পাননি বাবা-মা। তার পর তাঁরা থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন। এলাকার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে জানা যায়, স্কুলের পোশাক পরে ভোররাতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায় কিশোরী। তাঁর খোঁজ দিতে পারলে এক লক্ষ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে বলেও ঘোষণা করেছিল পরিবার।

ডায়েরির লেখা অনুযায়ী শ্মশানের পাশের পুকুরে তল্লাশি চালায় পুলিশ। পুকুরের জল ছেঁচে তোলা হলে ভিতরের কাদায় দেহ আটকে থাকতে দেখা যায়। তা পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। কী কারণে সে এই পদক্ষেপ করল, জানতে পরিবারের সদস্য এবং বন্ধুবান্ধবদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement