— প্রতীকী চিত্র।
হরমুজ় প্রণালী পার হয়েছে এলপিজি-বোঝাই আরও একটি ট্যাঙ্কার। অন্য একটি ট্যাঙ্কার ইরান থেকে মেঙ্গালুরুতে এসে পৌঁছেছিল ২ এপ্রিল। সেই জাহাজ থেকে এ বার এলপিজি নামানোর কাজ শুরু হল বলে শনিবার জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সম্ভবত, গত সাত বছরে প্রথম বার ইরান থেকে জ্বালানি কেনা হল। অন্য দিকে, শনিবার আবার দেশবাসীকে আর্জি জানিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার বলল, উদ্বিগ্ন হয়ে রান্নার গ্যাস, পেট্রল, ডিজ়েল কেনার প্রয়োজন নেই। সেই সঙ্গে জানিয়ে দিল, দেশের ঘরে ঘরে এবং জরুরি ক্ষেত্রে রান্নার গ্যাস সরবরাহ করাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এই নিয়ে কালোবাজারি রুখতে পদক্ষেপ করার কথাও বলা হয়েছে সরকারের তরফে।
শনিবার কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, এলপিজি ভেসেল গ্রিন সানভি হরমুজ় পার হয়ে গিয়েছে। তাতে রয়েছে ৪৬ হাজার ৬৫০ টন এলপিজি। ওই জাহাজে সওয়ার রয়েছেন ২৬ জন নাবিক। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালায় আমেরিকা এবং ইজ়রায়েল। তার পরে হরমুজ় অবরুদ্ধ করে ইরান। সেই সংঘাতের আবহে এখনও পর্যন্ত হরমুজ় পার হয়েছে সাতটি ভারতমুখী জাহাজ। হরমুজ়ের পশ্চিম পারে এখনও ১৭টি জাহাজ দাঁড়িয়ে রয়েছে। সেগুলিরও গন্তব্য ভারত।
অন্য দিকে, এক্সে পোস্ট দিয়ে কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম এবং প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক জানিয়েছে, ২ এপ্রিল ৪৪ হাজার টন এলপিজি নিয়ে মেঙ্গালুরুতে পৌঁছেছে সি বার্ড জাহাজ। তা থেকে এলপিজি নামানোর কাজ চলছে। মনে করা হচ্ছে, দেশে এলপিজির জোগান শীঘ্রই আরও বাড়বে।
কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম এবং প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক শনিবার জানিয়েছে, দেশবাসীকে নিরবচ্ছিন্ন ভাবে পেট্রল, রান্নার গ্যাস সরবরাহের জন্য সব রকম পদক্ষেপ করা হচ্ছে। উদ্বেগের কোনও কারণ নেই। তবে সাশ্রয়ের পথে হাঁটার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে সরকারি তথ্যেই ভরসা রাখতে বলেছে কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, কালোবাজারি রুখতে সারা দেশে ৩,৭০০ জায়গায় অভিযান চালানো হয়েছে। এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটরদের ১০০০টি শো কজ় নোটিস পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রক বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, দেশে এলপিজি ঘাটতির কোনও খবর নেই।