কংগ্রেসকে লক্ষ্য করে খোঁচাটা এল এ বার তার খাস জন্মস্থান থেকেই!
শুধুই কেন গাঁধী পরিবারের সদস্যদের নামে নামকরণ করা হবে দেশের বিভিন্ন রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাঘাট, ভবনগুলির?
রাস্তাঘাট, ভবনের নামকরণ করার জন্য কি নামী ব্যক্তিত্বের কিছু অভাব রয়েছে এ দেশে?
দীর্ঘ নীরবতার পর বুধবার মুম্বই থেকে একের পর এক টুইটে এই সব প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন ঋষি কপূর। সেই বিখ্যাত কপূর পরিবারের সদস্য। এ দেশের রাজনীতিতে বরাবরই যে পরিবারটির পরিচিতি কংগ্রেস-ঘনিষ্ঠ হিসেবে।
টুইটে ঋষি বলেছেন, ‘‘দিল্লির রাস্তাঘাটের নাম যদি একের পর এক বদলে যেতে পারে, তা হলে মুম্বইয়ে কংগ্রেসের নিজস্ব বা সরকারি ভবন অথবা রাস্তাঘাটগুলোর নাম কেন এখনও থেকে যাবে গাঁধী পরিবারের সদস্যদের নামেই? কেন সেগুলো বদলে ফেলা হবে না তড়িঘড়ি?’’
আরও পড়ুন- অন্ধ ভিক্ষুক হয়ে পথে পথে গান গাইলেন সোনু!
দিল্লির সেই আকবর রোড, যেখানে এআইসিসি-র সদর দফতর, তার নাম বদলে ফেলার প্রস্তাব এসেছে সম্প্রতি। বিদেশ প্রতিমন্ত্রী অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল ভিকে সিংহ মহারাণা প্রতাপের নামে ওই রাস্তার নামকরণের প্রস্তাব দিয়েছেন। দিল্লির আওরঙ্গজেব রোডের নামও বদলে গিয়ে হয়েছে ড. এপিজে আবদুল কালাম রোড।
একেবারে স্বভাবসুলভ বেপরোয়া ভঙ্গিতে ঋষি প্রশ্ন তুলেছেন, ‘‘কেন মুম্বইয়ে এতগুলো ভবন আর রাস্তাঘাটের নাম থাকবে ইন্দিরা গাঁধী আর তাঁর পুত্র রাজীবের নামে? কেন সেগুলোর নামকরণ করা হবে না মহম্মদ রফি, সঙ্গীত সম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকর, আমার প্রয়াত বাবা রাজ কপূর, অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন বা শিল্পপতি জেআরডি টাটার নামে? বান্দ্রা/ওরলি সি-লিঙ্কের নামকরণ করা হোক লতা মঙ্গেশকরের নামে। বা, তা হোক জেআরডি টাটা লিঙ্ক রোড। চণ্ডীগড় শহরটা কি রাজীব গাঁধীর ব্যক্তিগত সম্পত্তি? তা হলে ওই শহরে বহু রাস্তা আর ভবনের নাম কেন এখনও রাখা হয়েছে ইন্দিরা-তনয়ের নামে? হর চিজ গাঁধী কা নাম? দেশের জন্য অবদান রয়েছে আর যাঁদের যাঁদের, তাঁদের নামেও রাস্তাঘাট, ভবনগুলোর নামকরণ করা হোক।