ফাইল চিত্র।
প্রথম বার প্রধানমন্ত্রী হয়ে মন্ত্রীদের আম জনতার সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদী। কিন্তু এখন সে সব বন্ধ। নতুন পরিস্থিতিতে ফের নতুন করে মন্ত্রীদের পাঠানো হচ্ছে জনতার দরবারে।
বিজেপির সূত্রের মতে, রোজই দেশের নানা প্রান্ত থেকে আম জনতা ও দলের কর্মীরা দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে আসেন। নানা রকম দাবি-দাওয়া, অভিযোগ-অসন্তোষ থাকে তাঁদের। এই সব শুধু দলীয় নয়, দাবি-দাওয়া মেটানো বা অসন্তোষ দূর করতে কেন্দ্রীয় সরকারেরও ভূমিকা থাকে। কর্মী-জনতা নানা বিষয় সরাসরি মোদীর কাছে পৌঁছে দিতে চান। সে সময়ে সামনে এক জন মন্ত্রী হলে তাঁদের সন্তোষ বাড়ে।
অমিত শাহ দলের সভাপতি থাকার সময় কেন্দ্রের মন্ত্রীদের দলের দফতরে নিয়ে আসার রেওয়াজ শুরু হয়। অমিত নিজেও সপ্তাহে এক দিন দলের দফতরে জনতার কথা শুনতেন। কিন্তু গত বছর জানুয়ারি থেকেই নেতা-মন্ত্রীরা লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। মোদী দ্বিতীয় বার জিতে আসার পরে প্রায় নয় মাস কেটে গিয়েছে। এখনও সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। বিজেপির এক নেতা বলেন, ‘‘দলের দফতরে এখনও রোজ বহু মানুষ অভিযোগ নিয়ে আসেন। নেতাদের সঙ্গে তাঁদের বৈঠক করানোও হচ্ছিল। ফল হয়নি। সে কারণে নতুন সভাপতি জগৎপ্রকাশ নড্ডার নজরে আনা হয় বিষয়টি।’’
বিজেপি সূত্রের মতে— প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন নতুন সভাপতি নড্ডা। তার পরেই স্থির হয়, সামনের মঙ্গলবার থেকে দলের দফতরে মন্ত্রীদের ফের যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে। সোম থেকে শুক্রবার পর্যন্ত সপ্তাহে পাঁচ দিন কোনও না কোনও মন্ত্রী দফতরে আসবেন। কোন দিন কোন মন্ত্রী আসবেন, তা আগাম ঘোষণা হবে। আপাতত স্থির হয়েছে, সামনের সপ্তাহে স্মৃতি ইরানি, ভি কে সিংহ, মহেন্দ্রনাথ পাণ্ডে বিজেপি দফতরে যাবেন। আগামিকাল থেকেই সংসদের অধিবেশন শুরু। বাকি মন্ত্রীদের কর্মসূচিও চূড়ান্ত করা হবে।