Chhattisgarh Journalist Murder

খুনের পর দেহের পাশে বসে সিগারেট ধরান অভিযুক্ত, তার পর গান ধরেন! ছত্তীসগঢ়ে সাংবাদিক হত্যায় নয়া তথ্য

কোমলের দাবি, তিনি মধুরের জিম সেন্টারের কম্পিউটার অপারেটর হিসাবে কাজ করতেন। ঘটনার দিন শারদা বিহারে নিজের বাড়িতে সামলাকে ডেকে আনেন মধুর।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৭:১৭
Share:

(বাঁ দিকে) সাংবাদিক সালমা সুলতানা। (ডান দিকে) অভিযুক্ত মধুর সাহু। ছবি: সংগৃহীত।

ছত্তীসগঢ়ের সাংবাদিক সালমা সুলতানার হত্যাকাণ্ডে ভয়াবহ তথ্য প্রকাশ্যে এল। প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালে লিভ ইন সঙ্গীর হাতে খুন হতে হয়েছিল সাংবাদিককে। সালমাকে খুনের পর অভিযুক্ত কী কী করেছিলেন, আদালতের সামনে তা তুলে ধরেছেন এক প্রত্যক্ষদর্শী।

Advertisement

কোমল সিংহা রাজপুত নামে ওই প্রত্যক্ষদর্শী এবং এই হত্যকাণ্ডের অন্যতম সাক্ষী আদালতের কাছে দাবি করেছেন, অভিযুক্ত মধুর সাহু সালমাকে শ্বাসরোধ করে খুন করেন। তার পর খুব শান্ত ভাবে সালমার দেহের পাশে বসেন। একটা সিগারেট ধরান। তার পর সালমারই একটি পছন্দের গান ‘মাসুম’ ছবির ‘তুঝসে নারাজ় নেহি জ়িন্দেগি’ গানটি গুনগুন করে গাইতে শুরু করেন। বেশ কিছু ক্ষণ বসে থাকার পর তার পর সালমার লাশ নিয়ে বেরিয়ে যান মধুর।

কোমলের দাবি, তিনি মধুরের জিম সেন্টারের কম্পিউটার অপারেটর হিসাবে কাজ করতেন। ঘটনার দিন শারদা বিহারে নিজের বাড়িতে সামলাকে ডেকে আনেন মধুর। দু’জনের মধ্যে কোনও একটি বিষয় নিয়ে বচসা হয়। কোমলের দাবি, মধুর প্রথমে সামলার গলা টিপে ধরেন। পরিস্থিতি আরও বিগড়ে যায়। এর পরই সালমাকে বিছানায় ফেলে দিয়ে আবার গলা টিপে ধরেন মধুর। আর এক অভিযুক্ত তথা মধুরে সঙ্গী কৌশল শ্রীনিবাস সালমার মুখে বালিশ চেপে ধরেন। আদালতকে কোমল জানিয়েছেন, তিনি যখন সালমাকে বাঁচাতে যান, তখন তাঁকে হুমকি দেওয়া হয় এ রকম পরিস্থিতি তাঁরও হবে। কোমল আরও জানান, এর পরই গোটা বাড়ি শান্ত হয়ে যায়। সালমার মৃত্যু হয়েছে বুঝে তাঁর দেহ এক হাতে ধরেন, অন্য হাতে সিগারেট ছিল মধুরের। তার পর সেই দেহ একপাশে রেখে শান্ত ভাবে সিগারেট টানেন। গুনগুন করে গানও শুরু করেন। কয়েক দিন পর কোরবা শহরে সালমার দেহ উদ্ধার হয়।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement