—প্রতীকী চিত্র।
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার তথা জাতীয় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তোপ থামছেই না। পাঁচ বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশের পরেই নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিবকে সরিয়ে নতুন নিয়োগ করেছিল। বুধবার কমিশন আর এক ভোটমুখী রাজ্য তামিলনাড়ুর মুখ্যসচিবের পদ থেকে এন মুরুগণন্দমকে সরিয়ে এম সাই কুমারকে নিয়োগ করেছে। তামিলনাড়ুতে ২৩ এপ্রিল ভোটগ্রহণ।
আজ তামিলনাড়ুর কংগ্রেস নেতা পি চিদম্বরম বলেছেন, ‘‘কয়েক বছর আগে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে নির্বাচন কমিশনের ‘সরকারের মধ্যে সরকার’ হয়ে ওঠার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছিল। মোক্ষম পর্যবেক্ষণ ছিল। তামিলনাড়ুর দক্ষ, নিরপেক্ষ মুখ্যসচিবকে বদলি, তার সঙ্গে নির্বাচন কমিশন যে ভাবে তৃণমূলের চার সাংসদের সঙ্গে তাচ্ছিল্যপূর্ণ আচরণ করেছে,তাতে মনে হচ্ছে, সুপ্রিম কোর্টের আশঙ্কা ঠিক ছিল।’’
বুধবারই মুখ্য নির্বাচন কমিশার জ্ঞানেশ কুমার তৃণমূলের সাংসদদের ‘গেট লস্ট’ বলেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। একই দিনে তিনি দক্ষিণ কোচবিহারে নির্বাচনী পর্যবেক্ষক হিসেবে নিযুক্ত উত্তরপ্রদেশের আইএএস অফিসার অনুরাগ যাদব তাঁর কেন্দ্রে বুথের সংখ্যা বলতে না পারায় ‘গো ব্যাক হোম’ বলে ধমকেছেন বলে অভিযোগ। যাদব মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে জানিয়ে দেন, ‘আপনি এ ভাবে কথা বলতে পারেন না। আমিও ২৫ বছর ধরে চাকরি করছি।’ পরে যাদবকে পর্যবেক্ষকের পদ থেকে সরিয়ে দেয় কমিশন। ২০০০ সালের আইএএস যাদব উত্তরপ্রদেশের সমাজকল্যাণ দফতরের সচিব।
বুধবার বম্বে হাই কোর্টের গোয়ায় পন্ডা বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন বাতিল করে দেওয়ার নির্দেশেও বিরোধীদের তোপের মুখে পড়েছে কমিশন। বৃহস্পতিবারই সেখানে ভোটগ্রহণের কথা ছিল। কিন্তু গোয়ায় বিধানসভা নির্বাচনের এক বছরও দেরি নেই বলে হাই কোর্ট উপনির্বাচন খারিজ করে। বিরোধীদের প্রশ্ন, কমিশন কেন জনপ্রতিনিধিত্ব আইন না মেনে উপনির্বাচন ঘোষণা করেছিল? উল্টো দিকে আজ কমিশন সূত্র দাবি করেছে, অসম, পুদুচেরি, কেরলে বৃহস্পতিবার যে বিপুল ভোট পড়েছে, তাতেই প্রমাণ দেশের ভোটারদের জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশনে প্রবল আস্থা রয়েছে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে