—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
আবার মুম্বই। ভিড়ের কারণে চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে গেলেন যাত্রীরা। ট্রেন থেকে পড়ে তিন জন আহত হয়েছেন। এক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ট্রেনে অতিরিক্ত ভিড় থাকার কারণেই দুর্ঘটনা বলে মানছে রেলও।
সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, মুম্বইয়ের সিওন এবং মাতুঙ্গার মধ্যে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। শুক্রবার সকাল ১০টা নাগাদ দক্ষিণমুখী এক লোকাল ট্রেন থেকে ভিড়ের কারণে যাত্রীরা পড়ে যান। সিওন স্টেশন থেকে ছেড়ে ৫০০ মিটার যেতে না-যেতেই দুর্ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, ভিড়ের চাপে তিন যাত্রী ট্রেন থেকে পড়ে যান। আহতেরা নারাসোপাড়ার বাসিন্দা শচীন শর্মা, গোভান্ডির বাসিন্দা আফজল চৌধরি এবং কুর্লারের বাসিন্দা জেনুয়াল সইদ।
দাদারের জিআরপির এক আধিকারিক অনিল মানে বলেন, ‘‘প্রাথমিক তদন্তের পর মনে হচ্ছে ভিড়ের কারণে যাত্রীরা ভারসাম্য রক্ষা করতে না-পেরে চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে যান।’’ সহযাত্রীরা তড়িঘড়ি রেল কর্তৃপক্ষকে খবর দেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করেন জিআরপির কর্মীরা।
হাসপাতাল সূত্রে খবর, জেনুয়ালের আঘাত গুরুতর। তাঁর পেটে আঘাত লেগেছে। ভেঙেছে কনুইয়ের হাড়ও। আফজলের মাথা ফেটেছে। আঘাত লেগেছে ডান হাতেও। তবে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল। আর এক যাত্রী শচীনেরও মাথা এবং পায়ে আঘাত লেগেছে। রেলের এক কর্তা জানিয়েছেন, যাত্রীদের অবস্থার উন্নতি হলে তাঁদের বয়ান রেকর্ড করা হবে। তার পরেই স্পষ্ট হবে, চলন্ত ট্রেন থেকে যাত্রীদের পড়ে যাওয়াটা দুর্ঘটনা, না কি নেপথ্যে রয়েছে অন্য কারণ।
গত বছর জুনে মুম্বইয়ের কাছে লোকাল ট্রেন থেকে ছিটকে পড়ে চার জনের মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে এসেছিল। তার পরেই তাদের তরফে সতর্কতামূলক ব্যবস্থার কথা জানিয়েছিল রেল। জানানো হয়েছিল, মুম্বইয়ের জন্য নতুন যে কামরাগুলি তৈরি হচ্ছে, সেখানে স্বয়ংক্রিয় দরজা বসানো হবে। পাশাপাশি বর্তমানে যে লোকাল ট্রেনগুলি মুম্বই শহরতলিতে চলাচল করে, সেগুলিতেও স্বয়ংক্রিয় দরজার ব্যবস্থা করা হবে। তবে বাস্তবে এখনও তেমন ট্রেন শুরু হয়নি মুম্বইয়ে। তার মধ্যেই ঘটে গেল দুর্ঘটনা।